logo

মঙ্গলবার, ২২ মে ২০১৮ | ৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫

header-ad

রায়পুরে পানে লেনদেন ৬০ কোটি

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি | আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

জেলার চাহিদা মিটিয়ে লক্ষ্মীপুরের পান  ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ফেনী ও নোয়াখানীসহ বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে। এ থেকে বছরে পান পাতার প্রায় ৬০ কোটি টাকার লেনদেন হয়। রায়পুর থেকে অনেক পান ব্যবসায়ী পান সংগ্রহ করেন।

প্রতি শনি ও বুধবার লক্ষ্মীপুরের সবচেয়ে বড় পান বাজার বসে হায়দরগঞ্জ এলাকায়। বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ব্যবসায়ীরা হায়দরগঞ্জ বাজারে আসেন। এছাড়াও রায়পুর পৌর শহরের নতুন বাজার এলাকায় প্রতি শক্র ও সোমবার পানের বাজার বসে। বাজারের দিন ব্যবসায়ীরা পান সংগ্রহ করে তাদের গন্তব্যে নিয়ে যান।

জানা গেছে, পান চাষের ওপর মিউচিয়াল ট্রাস্ট এসএমই হায়দারগঞ্জ শাখায় ৭ জন চাষীর মাঝে ২৯ লাখ টাকা ঋন দিয়েছে। চাষীরা ঋন নিয়ে পানের বরজ তৈরি করেন। তাদের দেখে অন্য প্রান্তিক চাষীরাও পান চাষ করার পরিকল্পনা নিয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, রায়পুরে ৩০৫ হেক্টর জমিতে ১৬’শ ২০ বরজে পান চাষ হয়। প্রতি হেক্টর জমির পান উৎপাদন হয় প্রায় ৮ হাজার পোন (৮০পিস)। উৎপাদন খরচ হয় প্রায় আড়াই লাখ টাকা। বর্তমান বাজারে ভালো মানের প্রতি বিড়া (৭২ পিচ) পান বিক্রি হয় ১৫০ টাকা। এ হিসেবে রায়পুরে ৩৬ কোটি ৬০ লাখ টাকার পান উৎপাদন হয়। তবে বেসরকারি হিসেবে পানের উৎপাদন হয় প্রায় ৫০ কোটি টাকার।

রায়পুর উপজেলার উত্তর চর আবাবিল, দক্ষিণ চর আবাবিল, উত্তর চরবংশী ও দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নে পানের আবাদ বেশী হয়।

চাষীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বৈশাখ থেকে আশ্বিন মাসে উৎপাদিত পানের সাইজ বড় হয়। শীত, কুয়াশা ও ক্ষেতে পানি জমে থাকলে পানের বরজ নষ্ট হয়ে যায়।

এছাড়া সার ও কীটনাশকের দাম বেশি হওয়ায় পানের বরজের আবাদ কমে গেছে। শুস্ক মৌসুমে বৃষ্টি না থাকায় পানি সেচ দিয়েও পান গাছ রক্ষা করা যায় না। আরেক চাষী বলেন, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের দেখা মেলে না। তাদের সঠিক পরামর্শ পেলে পান চাষে এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য বদলে যাবে।

রায়পুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইকবাল বলেন, পান চাষ করতে গিয়ে কৃষকরা সমস্যার সম্মুখীন হলে তাদের পরামর্শ দেয়া হয়।

ফেমাসনিউজ২৪/এসআর