logo

শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ | ৫ মাঘ, ১৪২৫

header-ad

দিনাজপুরে মুকুলে ছেয়ে গেছে লিচু গাছ

দিনাজপুর প্রতিনিধি | আপডেট: ২২ মার্চ ২০১৮

লিচুর জেলা হিসেবে দিনাজপুরের পরিচিতি রয়েছে সারা দেশে। চলতি বছর মুকুল থেকে দানা আসার আগেই সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছেন জেলার বাগান মালিকরা। প্রতি বছর বসন্ত ঋতুতে বৃষ্টি হলেও এবার তার পরিমাণ কম। ফলে বাগান মালিকরা সেচের মাধ্যমে গাছের গোডায় পানি সরবরাহ করছেন। কঠোর রোদে ফুটন্ত মুকুলের ক্ষতি এড়াতে প্রয়োজনীয় বালাইনাশক প্রয়োগ করছেন। ফলে ব্যস্ততা বেড়ে গেছে লিচু বাগানের মালিকদের।

জেলার কৃষি জমিতেই শুধু লিচুর চাষ হচ্ছে, এমন নয়। অনেকেই এখন অনাবাদি জমিতে লিচুর বাগান করছেন। তবে দিনাজপুরে বেদানা, চায়নাত্রি, চায়না ফোর, মাদ্রাজি ও বোম্বাই জাতের লিচুর আবাদ হয় বেশি। জেলার বিরল উপজেলার মাধববাটী ও সদরের মাসিমপুরে চাষ বেশি হয়।

তা ছাড়া প্রতি বছর লিচু বিক্রির জন্য শহরের কালিতলার নিউ মার্কেট এলাকায় বড় বাজার বসে। এ বাজার থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে লিচু সরবরাহ হয়। এবারও এ বাজারের ব্যবসায়ীরা লিচু কেনাবেচার প্রস্তুতি নিয়েছেন।

মাধববাটী এলাকার লিচু বাগানের মালিক রবিউল ইসলাম রবি জানান, লিচু গাছে আসা মুকুল ফুটতে শুরু করেছে। কিন্তু আমরা মুকুল আসার এক মাস আগ থেকেই বাগানের পরিচর্যা শুরু করেছি। ফল ওঠা পর্যন্ত গাছের পরিচর্যা করতে হয়। মুকুল ঝরে পড়া রোধ ও নিয়মমাফিক পরিচর্যা করতে স্থানীয় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আমাদের নিয়মিতভাবে পরামর্শ দিচ্ছেন। চলতি বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে অন্য বছরের তুলনায় ভালো ফলন পাওয়া যাবে। এর মধ্যে রাজশাহী, রংপুর, চট্টগ্রাম, ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীরা লিচু বাগান কিনছেন।

দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ তৌহিদুল ইকবাল জানান, গত কয়েক দিন আগ থেকে মুকুল ফুটতে শুরু করেছে। কয়েক দিনের মধ্যে অধিকাংশ বাগানে দানা বাঁধা শুরু হবে। এখন নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে গাছ ও ফলের পরিচর্যা করতে হবে। জেলার কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বাগান মালিকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবারও আশাতীত ফলন পাওয়া যাবে।

ফেমাসনিউজ২৪/আরআর/আরইউ