logo

বুধবার, ২৮ জুন ২০১৭ | ১৪ আষাঢ়, ১৪২৪

header-ad
header-ad

‘সমগ্র দেশই হবে উন্নত সমৃদ্ধ’

ফেমাস নিউজ ডেস্ক | আপডেট: ১০ জানুয়ারি ২০১৭

সমগ্র দেশই হবে উন্নত, সমৃদ্ধ, সোনার বাংলাদেশ- এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ক্ষুধা, দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলবোই।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে মঙ্গলবার বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ‌্যানে আওয়ামী লীগের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। সভা পরিচালনা করেন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতা এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে যে রূপরেখা দিয়েছিলেন, বিশ্বসভায় মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন, আমরা বাংলাদেশকে ইনশাল্লাহ ঠিক সেভাবেই উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলবো। এটাই আমাদের লক্ষ্য।’

বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের কোনো স্থান হবে না- প্রত্যয় ব্যক্ত করে দেশের সব শ্রেণিপেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

ইসলাম শান্তির ধর্ম, সৌহার্দ্যের ধর্ম, ভ্রাতৃত্বের ধর্ম উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইসলাম কখনো মানুষ হত্যা শিখায় না। আমাদের বিচার করবেন আল্লাহ। আল্লাহর হাতেই শেষ বিচার। ইসলামে আত্মহত্যা মহাপাপ। অথচ আজকে যারা ধর্মের নামে সন্ত্রাস করছে, অথবা আত্মঘাতী হচ্ছে, যারা মনে করে আত্মঘাতী হয়ে একেবারে বেহেশতে চলে যাবেন- তারা কখনো বেহেশতে যাবে না। বরং তারা দোজখে যাবে। কারণ ইসলাম কখনো আত্মঘাতী বা সন্ত্রাস বা মানুষ খুন করাকে প্রশ্রয় দেয় না।’

‘এদেশের সব মানুষ ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে শান্তিপূর্ণভাবে ধর্ম পালন করবে। এটাই হচ্ছে আমাদের ইসলামের শিক্ষা’- বলেন শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের দলীয় লক্ষ্য খুব স্পষ্ট উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা আমাদের মাঝে নেই। কিন্তু তিনি স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। এই বাংলাদেশকে আমরা উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলবো। বাংলাদেশ হবে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০২১ সালে আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করবো। পাশাপাশি সুবর্ণজয়ন্তী পালনের লক্ষ্যে দারিদ্র্যের হার কমানো, স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধি করাসহ প্রত্যেক ছেলে-মেয়ে শিক্ষিত হবে। মানুষ খাদ্য নিরাপত্তা পাবে।

‘একই সঙ্গে ডিজিটাল পদ্ধতিতে শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সবকিছু যাতে চলতে পারে তার ব্যবস্থা করা হবে’- বলেন শেখ হাসিনা।

তিনি আরো বলেন, ‘প্রতিটি গ্রামই একটি নগর হিসেবে গড়ে উঠবে। গ্রামের মানুষ উন্নত জীবন পাবে। সেটাও আমরা নিশ্চিত করবো।

জনসভায় বঙ্গবন্ধুর পাকিস্তানের কারাগার থেকে জনগণের মাঝে ফিরে আসার বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করে জাতির পিতা, জাতীয় চার নেতাসহ মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

সমাবেশে আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী, মোহাম্মদ নাসিম, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী প্রমুখ।