logo

রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৭ | ৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৪

header-ad

রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতেই হবে : সুষমা

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০১৭

মিয়ানমারের রাখাইনে দেশটির সেনাবাহিনী ও সরকার সমর্থকদের অব্যাহত সহিংসতা ও নিপীড়নের মুখে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ছয় লাখ রোহিঙ্গা। জাতিসংঘসহ বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যক্তি এ জাতিগত নিধনের বিপক্ষে দাাঁড়ায়। বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে নানামুখী চাপ প্রয়োগ করে। যা অব্যাহত আছে। 

এদিকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরনার্থীদের অবশ্যই ফেরত নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ।

২২ অক্টোবর রোববার সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ এ কথা বলেন।

এর আগে দুই দিনের সফরে রোববার সকালে ঢাকায় আসার পর সোনারগাঁওয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার পর সন্ধ্যায় গণভবনে যান সুষমা।

সর্বশেষ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গেও বৈঠকে বসেন তিনি। 

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর তার প্রেস সচিব ইহসানুল করিম ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে সাংবাদিকদের বলেন, মিয়ানমারকে অবশ্যই তাদের নাগরিকদের ফেরত নিতে হবে।

গত ২৫ অাগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে সহিংসতা শুরুর পর প্রায় ৬ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। মানবিক কারণে আশ্রয় দিলেও তাদের ফেরত নিয়ে পুনর্বাসিত করতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ।

২৫ অাগস্ট রাখাইনে সেনা ও পুলিশ ফাঁড়িতে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের হামলার পর সেখানে সেনা অভিযান শুরু হয়। এই অভিযানে রোহিঙ্গা মুসলিমদের নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ, ঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

শরণার্থীদের বাংলাদেশের জন্য ‘বড় বোঝা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশে কত দিন এই ভার বহন করবে। এর একটা স্থায়ী সমাধান হতে হবে।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা রাখার ওপর জোর দেন তাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বৈঠকে শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী, ভারতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন সে দেশের পররাষ্ট্র সচিব জয়শঙ্কর এবং ঢাকায় দেশটির রাষ্ট্রদূত হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা।

এর আগে সকালে ঢাকায় আসার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ এইচ মাহমুদ আলীর সঙ্গে যৌথ পরামর্শক কমিশনের (জেসিসি) বৈঠক করেন সুষমা। 

ফেমাসনিউজ২৪/আরআর/আরইউ