logo

শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৭ আশ্বিন, ১৪২৫

header-ad

বিমান বিধ্বস্তের আগে যা বলেছিলেন পাইলট

ফেমাসনিউজ ডেস্ক | আপডেট: ১২ মার্চ ২০১৮

নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত পাইলট নিয়ন্ত্রণ কক্ষকে জানিয়েছিলেন কোনো সমস্যা নেই। তিনি বিমানটিকে একটি নির্দিষ্ট দিকে অবতরণ করাতে চাচ্ছিলেন।

ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মহাব্যবস্থাপক রাজ কুমার ছেত্রির বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

খবরে বলা হয়, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমানটির সহকারী পাইলট প্রিথিলা রশিদ মারা গেছেন। তবে বেঁচে আছেন পাইলট আবিদ সুলতান। এ তথ্য জানিয়েছে বিমান সংস্থাটি।

রাজ কুমার ছেত্রি বলেন, বিমানবন্দরে নামার অনুমতি পাওয়ার পর পাইলট জানান, তিনি উত্তর দিকে অবতরণ করতে চান। তখন কন্ট্রোল টাওয়ার থেকে বলা হয়, কোনো সমস্যা আছে কিনা। এর জবাবে পাইলট বলেন, কোনো সমস্যা নেই। তবে অবতরণের আগে দু'বার আকাশে চক্কর দেয় বিমানটি।

এ সময় নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার থেকে জানতে চাওয়া হয়, সবকিছু ঠিক আছে কিনা? জবাবে পাইলট জানান, ঠিক আছে। এরপর অবতরণে অসঙ্গতি দেখে নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার থেকে পাইলটকে জানিয়ে দেয়া হয়, বিমানটি ঠিকভাবে অবতরণ করছে না।

এরপর এ কথার কোনো জবাব পাইলটের কাছ থেকে পাওয়া যায়নি। নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার থেকে পাইলটের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করাও সম্ভব হয়নি।

এদিকে বিধ্বস্ত বিমানটি থেকে বেঁচে যাওয়া নেপালি এক যাত্রী বলেন, ঢাকা থেকে স্বাভাবিকভাবেই বিমানটি উড্ডয়ন করে। কিন্তু কাঠমান্ডুতে অবতরণের সময় এটি অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে।

সোমবার কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫৭ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া আহত হয়েছে অনেকে। এ ঘটনায় কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মুখপাত্র প্রেমনাথ ঠাকুর জানান, দুপুর ২টা ২০ মিনিটে বিমানটি নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা ছিল। কিন্তু রানওয়েতে নামার সময় তা পিছলে যায়। তারপর তা ধাক্কা মেরে বিমানবন্দরের কাছে একটি ফুটবল মাঠে গিয়ে পড়লে আগুন লেগে যায়। ‌‌

নেপাল টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, ৭৮ জন ধারণে সক্ষম ওই বিমানে যাত্রীদের পাশাপাশি ৪ ক্রুসহ ৭১ জন আরোহী ছিল।
ফেমাসনিউজ২৪/এফএম/এমএম