logo

মঙ্গলবার, ১৪ আগস্ট ২০১৮ | ৩০ শ্রাবণ, ১৪২৫

header-ad
ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট

সম্পাদকদের সঙ্গে ৩ মন্ত্রীর বৈঠক

বিশেষ প্রতিবেদক | আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০১৮

ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট বা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে আলোচনা করতে সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন আইনমন্ত্রী অনিসুল হকসহ তিন মন্ত্রী।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মলেন কক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়।

বৈঠকে সরকারের পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত দুই মন্ত্রী উপস্থিত আছেন। তারা হলেন- ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ও প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমদ পলক।

এ ছাড়া বৈঠকে উপস্থিত সম্পাদকরা হলেন- বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম, কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, যুগান্তর সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) সাইফুল আলম, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন, নিউএজ সম্পাদক নুরুল কবির, ঢাকা ট্রিবিউন সম্পাদক জাফর সোবহান, ইনকিলাব সম্পাদক এএমএম বাহাউদ্দিন, বণিক বার্তা সম্পাদক হানিফ মাহমুদ, নয়াদিগন্ত সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন প্রমুখ।

গত ২৯ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮’এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। এ আইন কার্যকর হলে বিলুপ্ত হবে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের বিতর্কিত ৫৭ ধারাসহ কয়েকটি ধারা। তার বদলে এসব ধারার বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে অপরাধের প্রকৃতি অনুযায়ী শাস্তির বিধান রাখা হয় নতুন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৩২ ধারায়।

এ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি বেআইনি প্রবেশের মাধ্যমে কোনো সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অতি গোপনীয় বা গোপনীয় তথ্য ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ধারণ, প্রেরণ ও সংরক্ষণ করেন বা সহায়তা করেন, তা হলে সর্বোচ্চ ১৪ বছরের সাজা। ২৫ লাখ টাকা জরিমানা।

এদিকে ৩২ ধারার মতো কঠোর বিধান যুক্ত করায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে উদ্বেগ জানান সাংবাদিকরা। এ ছাড়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের তিনটি ধারা নিয়ে গত ২৫ মার্চ উদ্বেগ জানান ১১ দেশের কূটনীতিকরা।

উল্লেখ্য, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মুক্তিযুদ্ধ, জাতির পিতা, ধর্ম অবমাননা, মানহানির মতো সাইবার অপরাধের জন্য বিভিন্ন মেয়াদে সাজার বিধান রাখা হয়েছে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা কাউন্সিল ও নিরাপত্তা এজেন্সি গঠনের কথা বলা হয়েছে।

ফেমাসনিউজ২৪.কম/আরআই/আরবি