logo

শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৮ | ৪ কার্তিক, ১৪২৫

header-ad

বাবা-ছেলের মানবসেবা

মো. রিয়াল উদ্দিন | আপডেট: ০৯ মে ২০১৮

বাবা বিচারপতি একেএম জহিরুল হক বিচারের মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে আপসহীন অপরদিকে ছেলে জোবায়দুল হক রাসেল বাবার আদর্শকে বুকে ধারণ করে প্রতিনিয়ত মানবসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।

রাজধানীতে দুই বাসের রেষারেষিতে হাত হারানোর পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী রাজীব হাসানের পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এক মাসের মধ্যে বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহনকে ক্ষতিপূরণের অর্ধেক টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের পরিবারের সব সদস্যই মানবসেবা এবং সাধারণ জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করছে প্রতিনিয়ত। তারই অংশ হিসেবে আজকের এ রায় মানবসেবা এবং ন্যায় বিচারের অনন্য ইতিহাস হয়ে থাকবে। এ রায়ের মধ্য দিয়ে পাওয়া অর্থে বাবা-মা এমনকি শেষ আশ্রয়স্থল বড় ভাইহারা দুই শিশুর জীবনের কষ্ট লাঘবে কিছুটা পাথেয় হবে।

রাজীবের মৃত্যুর পরই তার পরিবারের দায়িত্ব নিতে পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বাউফলের তরুণ রাজনীতিবিদ ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের ছেলে জোবায়দুল হক রাসেল।

তরুণ এই নেতা নিহত রাজীবের সপ্ন পূরণে এগিয়ে এসে তার ছোট দুই ভাইয়ের পড়ালেখার খরচ বাবদ প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে দিয়ে সহযোগিতা করবেন বলে জানান।

পটুয়াখালী-২ (বাউফল) এলাকার মানুষের কাছে এই পরিবারটি অনেক পরিচিত এবং আপন। সাধারণ মানুষের আস্থার স্থল এ পরিবার। মানবসেবা এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে জনকল্যাণে কাজ করাই এ পরিবারের একমাত্র লক্ষ্য।

সে লক্ষ্যে পরিবারের সব সদস্যকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা দিয়েছেন বাবা বিচারপতি একেএম জহিরুল হক। বাবার আদর্শকে অনুসরণ করে বাউফলের জনবান্ধব নেতা হিসেবে পরিণত হয়েছেন রাসেল। প্রতিনিয়ত মানবসেবা এবং অসহায় মানুষের সহযোগিতায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন তিনি। সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেন বাউফলের সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হয়ে।
ফেমাসনিউজ২৪/এফএম/এমএম