logo

মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮ | ৫ আষাঢ়, ১৪২৫

header-ad

জমে উঠেছে ঈদ বাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ১৩ জুন ২০১৮

ঈদের বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। তাই, শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ঈদ বাজার। রাজধানীর প্রতিটি শপিং মলগুলোতে এখন দিন-রাত একাকার। নিজেদের পছন্দের পোশাক, জুতা, গহনাসহ নানা ধরনের জিনিস কিনতে রাজধানীর বড় বড় মার্কেটগুলোতে ভিড় করছে ক্রেতারা।

রাজধানীর নিউমার্কেট, চাঁদনীচক, মৌচাক মার্কেট, বঙ্গবাজার, বসুন্ধরা শপিংমল, যমুনা ফিউচার পার্ক ঘুরে দেখা গেছে, শেষ মুহুর্তে ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতারা। কেউবা পছন্দের পোশাক খুঁজতে এক দোকান থেকে ছুটছেন অন্য দোকানে।

শেষ সময়ের বেচাকেনায় খুশি বিক্রেতারাও। তারা বলছে, ঈদকে সামনে রেখে বেচাকেনা এখন খুব ভালো। এখন যারা আসছে তাদের অনেকেই ঢাকার বাইরে চলে যাবে। তবে ঈদে ঢাকায় অবস্থানকারীরা চাঁদ রাত পর্যন্ত কেনাকাটা করবেন। ব্যবসায়ীরা চাঁদ রাত পর্যন্ত দোকান খোলা রাখবেন বলেও জানান।

এবার ঈদে মেয়েদের জামার মধ্যে রয়েছে ডালি, স্বপ্নের দেশ, অস্থির। মেয়েদের গাউনের মধ্যে রাজ কুমারী, ডায়মন্ড, ললিপপ, জবা। থ্রিপিচের মধ্যে গরিলা, কাবেরী, বিনয় ইত্যাদি। শাড়ির মধ্যে দেশি কাতান ছাড়াও রয়েছে জবা, জবা বড়ভাবী, ক্রাস-২, ভাবি-২, নিল পদ্ম, পদ্মরাণী, রাজপরী, রাজেশ্বরী, রাজগুরু।

এছাড়া ইন্ডিয়ার চুন্দ্রি কাতান, চায়না সিল্ক, পাকিস্তানি জর্জেট, দেশীয় মসলিন, কাতান শাড়ি, মেয়েদের কাপপিচ, লং থ্রিপিচ, রেডিমেট লংগাউন, বম্বে গাউন, টুপাট কুটি, পাকিস্তানি, ইন্ডিয়ার পাশাপাশি বম্বে, মিশরি ও দেশীয় পাঞ্জাবির প্রতি ক্রেতাদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

এবারের ঈদ কেনাকাটায় কাপড়ের পাশাপাশি জুতা, প্রসাধনীর দোকানেও ভিড় ছিলো চোখে পড়ার মতো। বাবা-মার সঙ্গে মুস্কান নামের এক কলেজ ছাত্রী ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছেন। তিনি বলেন, এবারের ঈদে অনেক কিছুই কিনেছি, আরো কিছু পছন্দের ড্রেস এবং অর্নামেন্ট কেনার জন্য ঘুরছি। পছন্দ হলেই কিনবো।

আক্তারুজ্জামান নামের এক ব্যবসায়ী এসেছেন পরিবারের জন্য ঈদের কেনাকাটা করতে। তিনি বলেন, পরিবারের সকল সদস্যের জন্য পোশাক কিনতে আসছি। পছন্দমত অনেক কিছুই মিলছে না। তাই এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরছি।

তবে এবারের ঈদ বাজারে বিক্রেতাদের পোশাকের দাম বেশি নেয়ারও অভিযোগ রয়েছে কেউ কেউ। যে শাড়ি চাঁদনী চক মার্কেটে ১৫০০ টাকা সেই একই শাড়ি বসুন্ধরা বা বড় শপিং মলগুলোতে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা দাম চাওয়া হচ্ছে। ক্রেতাদের এমন অভিযোগ নিয়মিত বলে দাবি করেছেন বসুন্ধরা শপিং মলের বিক্রেতারা।

নিলুফা আক্তার নামের এক গৃহীনি বলেন, যত বড় শপিং মল দামও তত বেশি হাঁকা হচ্ছে। কাপুড়ের গুণগত মান দেখে নয় মার্কেট বুঝে দাম নির্ধারণ করেছেন বিক্রেতারা। এতে আমাদের অনেকেই না বুঝে অল্প দামের পোশাক বেশি দাম দিয়ে কিনে নিচ্ছে।

মনে রেখ শাড়ির রবিউল ইসলাম নামের এক বিক্রেতা বলেন, দাম বেশি এমন অভিযোগ সব সময়ই করে। নিউমার্কেট আর বসুন্ধরা শপিংমলের দাম তো এক হবে না। আমাদের খরচ বেশি দাম তো বেশি হবেই।

ফেমাসনিউজ২৪.কম/জেডআর/এফআর