logo

শুক্রবার, ১৭ আগস্ট ২০১৮ | ২ ভাদ্র, ১৪২৫

header-ad

কমলাপুরে মানুষ আর মানুষ!

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ১০ আগস্ট ২০১৮

রাজধানীর কমলাপুর রেল স্টেশনে ২৬টি কাউন্টার থেকে একযোগে চলছে টিকিট বিক্রি। প্রতিটি টিকিট কাউন্টারের সামনে হাজারো মানুষের ভিড়।

আজ শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় এ ভিড় বেড়েছে বহুগণে। আজ তৃতীয় দিনের মতো কমলাপুরে অগ্রিম টিকিট বিক্রি হচ্ছে। পাওয়া যাচ্ছে ১৯ আগস্টের টিকিট।

এদিকে যারা টিকিট কিনতে গেছেন তাদের বেশিরভাগই গত রাত থেকে সিরিয়ালে দাঁড়ানো। মানুষের এই লাইন দীর্ঘ হয়ে স্টেশনের বাইরে গিয়ে ঠেকেছে। সবচেয়ে বেশি ভিড় উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনগুলোর কাউন্টারের সামনে।

অন্যদিকে, আগামীকাল শনিবার পাওয়া যাবে ২০ আগস্টের টিকিট আর ১২ আগস্ট মিলবে ২১ আগস্টের টিকিট। এই দিনগুলোতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় সকাল ৮টা থেকে টিকিট বিক্রি হবে।

ওবায়দুর রহমান। তিনি উত্তরবঙ্গগামী নীলসাগর ট্রেনের টিকিট পেতে গত রাত ১০টা থেকে অপেক্ষা করছিলেন। জানালেন, সড়ক পথে যানজট, খানাখন্দ আর ভোগান্তির কারণে রেলপথে এবার মানুষ বেশি ঝুঁকেছে। ছোট বাচ্চা থাকার কারণে গতবার ঈদে বাড়ি যাইনি। এবার যেহেতু কোরবানি ঈদ, তাই যেতেই হবে। যে কারণে শত ভোগান্তি উপেক্ষা করে টিকিটের লাইনে দাঁড়িয়েছি। গতরাত ১০টার দিকে যখন টিকিট কাউন্টারের সামনে এলাম তখনই স্টেশনে শত শত মানুষ।

এদিকে গতরাত থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকেই এসির টিকিট পাননি বলে অভিযোগ জানিয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন মনিরুল ইসলাম, স্ত্রী-সন্তানসহ আগামী ১৯ আগস্ট যাবেন রাজশাহী। সে লক্ষ্যেই গত রাতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন।

তিনি বলেন, গত রাত ১০টার দিকে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছি, সারা রাত অপেক্ষা করার পর সকাল ৮টায় যখন টিকিট বিক্রি শুরু হলো তার কিছুক্ষণ পরই জানানো হলো এসি টিকিট শেষ।

এ বিষয়ে কাউন্টারে কর্মরতরা বলছেন, ঈদের সময় সবাই এসি টিকিট চায়। কিন্তু এসি সিট সীমিত। তাহলে কীভাবে আমরা সবাইকে টিকিট দেব। কাউন্টারে টিকিট বিক্রি ছাড়াও অনলাইন, ভিআইপি, রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোটাও আছে। এ ছাড়া স্টেশনকেন্দ্রিক এসি সিট বরাদ্দ থাকে।

বরাবরের মতো এবারও মোট টিকিটের ৬৫ শতাংশ দেয়া হচ্ছে কাউন্টার থেকে। বাকি ৩৫ শতাংশের ২৫ শতাংশ অনলাইন ও মোবাইলে ফোনের মাধ্যমে দেয়া হচ্ছে। ৫ শতাংশ ভিআইপি ছাড়াও রেল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ৫ শতাংশ। কমলাপুর স্টেশনে ২৬টি কাউন্টারে সকাল ৮ থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হয়।এ রমধ্যে নারীদের জন্য দুটি কাউন্টার সংরক্ষিত আছে।

কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজার সীতাংশু চক্রবর্তী বলেন, সকাল থেকেই টিকিট প্রত্যাশী মানুষের উপচেপড়া ভিড় স্টেশনে। যত মানুষ লাইনে দাঁড়িয়েছে সবাইকে হয়তো আমরা তার কাঙ্ক্ষিত টিকিট দিতে পারবো না। কারণ আমাদের সম্পদ সীমিত। তবে যাত্রী চাপের কথা মাথায় রেখে প্রতিটি ট্রেনেই অতিরিক্ত বগি সংযুক্ত করা হবে।

ফেমাসনিউজ২৪.কম/আরআই/আরবি