logo

শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৬ আশ্বিন, ১৪২৫

header-ad

‘জাতীয় ঐক্যের নেতারা পরিত্যক্ত’

ফেমাসনিউজ ডেস্ক | আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

জাতীয় ঐক্যের নেতারা পরিত্যক্ত বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, পরিত্যক্ত রাজনীতিবিদদের নিয়ে ঐক্য করে কিছু হবে না।এলাকায় তাদের নিজেদেরই জনপ্রিয়তা নেই।

১৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

হাছান মাহমুদ বলেন, কামাল সাহেবরা জনসভা করতে ৫০০ লোক খুঁজতে কষ্ট হয়। তাই তারা ঘরোয়া মিটিং করেন। এসব রাজনীতিবিদ হচ্ছেন পরিত্যক্ত। ড. কামাল হোসেন, বি. চৌধুরী, মান্না, আব্দুর রব হচ্ছেন রাজনীতিতে পরিত্যক্ত ব্যক্তিত্ব।তাদের নিয়ে ঐক্য করে কিছু হবে না। নির্বাচন এলে দেখা যাবে খালেক ভাই আর বাবলা ভাইয়ের কাছে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে গেছে।এদের এসব দৌড়ঝাঁপে কোনও লাভ হবে না।

তিনি বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে দেখা করার কথা বলে অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারির সঙ্গে দেখা করার লজ্জা মির্জা ফখরুল ইসলাম ঢাকতে পারছেন না। পত্রিকায় খবর দেয়া হলো জাতিসংঘ মহাসচিব নাকি তাদের ডেকেছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব এখন আফ্রিকায় আর তিনি নাকি তাদের যুক্তরাষ্ট্রে ডেকেছেন। তারা দেখা করলেন জাতিসংঘের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারির সঙ্গে।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে বিসিএস পরীক্ষা দেয়ার পর প্রথম যার চাকরি হয় তিনি হন অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি। তারা অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারির সঙ্গে দেখা করলেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম সাহেবকে যখন জিজ্ঞেস করা হলো কী আলোচনা হয়েছে, আমতা আমতা করে কিছু বলতে পারলেন না। তারা জনগণকে ধোঁকা দেয়ার জন্যই জাতিসংঘে গেছেন। সেখানের সর্বনিম্ন টায়ারের সঙ্গে দেখা করেছেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি নির্বাচনে বিশ্বাস করে না।বিএনপির নেতৃত্বে কারা আছেন তাদের পরিচয়টা জানা দরকার। আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো কী করবো না সেই সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার আমার আছে, সেই স্বাধীনতা আমার আছে। কিন্তু আরেকজন নির্বাচনে ভোট দিতে পারবে না সেটার জন্য প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা অন্যায়। বিএনপি ২০১৪ সালে সেটা করেছিল। তারা এখনও গণতন্ত্র ও নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

তিনি বলেন, লবিস্ট ফার্মকে দেয়া অর্থের উৎস তদন্ত করতে হবে। ২০ হাজার ডলার এরই মধ্যে দিয়েছেন, প্রতিমাসে তাদের ৩৫ হাজার ডলার করে দিতে হবে। আমি সরকারকে অনুরোধ জানাবো, যেহেতু বিএনপি লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ করেছে, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে এটা এসেছে। এটা নিয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। ৩৫ হাজার ডলার প্রতিমাসে দেয়া কিংবা ২০ হাজার ডলার কোথা থেকে দেয়া হলো? বিএনপিকে সেই হিসাব দিতে হবে। আমি সরকারকে অনুরোধ জানাবো, অবিলম্বে বিএনপিকে নোটিস প্রদান করা হোক।

হাছান মাহমুদ বলেন, খালেদা জিয়ার সুবিধার্থে কারাগারে আদালত স্থাপন করা হয়েছে।খালেদা জিয়াকে যেই ভবনে রাখা হয়েছে শুধু সেই ভবনটিকে কারাগার হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, বাকি ভবনগুলো কিন্তু কারাগারের অংশ নয়। বাকিগুলো পরিত্যক্ত কারাগারের অংশ মাত্র। সেই পরিত্যক্ত একটি ভবনে খালেদা জিয়ার জন্য আদালত বসানো হয়েছে। এটি তার সুবিধার জন্যই বসানো হয়েছে।

আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি মোল্লা জালাল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের উপদেষ্টা লায়ন চিত্তরঞ্জন দাস প্রমুখ।
ফেমাসনিউজ২৪/এফএম/এমএম