logo

শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮ | ৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫

header-ad

এখন আর কী করার আছে: প্রধানমন্ত্রী

ফেমাসনিউজ ডেস্ক | আপডেট: ১৫ অক্টোবর ২০১৮

ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন তো পাস হয়ে গেছে এখন আর কী করার আছে?’

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনির্ধারিত আলোনায় তিনি এই মন্তব্য করেন। মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এমন একাধিক মন্ত্রী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচ্যসূচিতে থাকা ‘সম্প্রচার আইন-২০১৮’-এর খসড়ার ওপর আলোচনা করছিলেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

এ সময় ডিজিটার সিকিউরিটে আইন সংশোধনে সম্পাদক পরিষদের মানববন্ধন প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বৈঠকে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, এডিটর কাউন্সিলসহ সাংবাদিক নেতারা এসেছিলেন, আমাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। আমরা আলোচনার কথা বলেছিলাম।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইংল্যান্ডে এই আইন বাংলাদেশে করা নতুন আইনের চেয়ে আরও বেশি কঠিন। এ আইন কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, যারা সত্যসন্ধানী, তাদের জন্য তো কোনও সমস্যা না। যারা সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, তাদের বিরুদ্ধে সরকার কড়া অবস্থানে থাকবে।

উল্লেখ্য, গত ১৯ সেপ্টেম্বর বহুল আলোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল সংসদে পাস হয়। এ আইনে পরোয়ানা ছাড়াই গ্রেফতারের সুযোগ রাখা হয়েছে। সংসদের বৈঠকে বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। এর আগে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সদস্যদের বিলের ওপর জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও একাধিক সংশোধনী প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নিষ্পত্তি করা হয়। এরপর গত ৮ অক্টোবর এই আইনে স্বাক্ষর করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

এর আগে, গত ২৯ জানুয়ারি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের খসড়া অনুমোদন করেছিল মন্ত্রিসভা।

এদিকে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কয়েকটি ধারায় আপত্তি জানিয়ে মানববন্ধন করেছে সম্পাদক পরিষদ। আজ সোমবার বেলা ১১টা ২০ মিনিট থেকে ১১টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম, প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, যুগান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাইফুল আলম, ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন প্রমুখ।

ফেমাসনিউজ২৪/কেআর/এস