logo

সোমবার, ২১ জানুয়ারি ২০১৯ | ৮ মাঘ, ১৪২৫

header-ad

নারী আসনে তাদেরই চাইলেন এরশাদ

ফেমাসনিউজ ডেস্ক | আপডেট: ১০ জানুয়ারি ২০১৯

একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে ৪ নারীকে মনোনয়ন দিয়েছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তিনি এ মনোনয়ন পত্রে স্বাক্ষর করেছেন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জাতীয় সংসদের স্পিকার বরাবরে মনোয়ন পত্রটি পাঠানো হয়েছে।

সংরক্ষিত আসনে জাপার মনোনীতরা হচ্ছেন- পারভীন ওসমান (নারায়ণগঞ্জ), ডা. শাহীনা আক্তার (কুঁড়িগ্রাম), নাজমা আখতার (ফেনী) ও মনিকা আলম (ঝিনাইদহ)।

আগামী ৩০ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে সংসদের প্রথম অধিবেশন। ২৫৭টি আসনে জয়ী হয়ে সংসদে সরকারি দল হিসেবে ভূমিকা পালন করবে আওয়ামী লীগ। ২২টি আসনে জয়ী হয়ে বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকবে জাতীয় পার্টি। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আটটি আসনে বিজয়ী হলেও কোনো এমপি শপথ নেননি।

সংসদে সরাসরি আসনের বিজয়ীদের পাশাপাশি সংরক্ষিত আসনে নারী সদস্য (এমপি) নির্বাচনের বিধান রয়েছে। সংরক্ষিত আসন বিজয়ী দলের প্রার্থীর আনুপাতিক হারে দেয়া হয়। মহাজোটের বড় শরিক জাতীয় পার্টি আনুপাতিকহারে তাদের তিনজন সংরক্ষিত নারী সদস্য থাকতে পারবেন সংসদে।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, একাদশ জাতীয় সংসদে কোনো জোট বা দল কয়টি সংরক্ষিত নারী আসন পাবে তা ২১ কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) জানাতে হবে। আইন অনুযায়ী, নবনির্বাচিতদের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের পর দল বা জোটগুলোকে এ সময়ের মধ্যে তথ্য জানানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এজন্য আগামী ৩০ জানুয়ারির মধ্যে ইসিকে এ সংক্রান্ত তথ্য দিতে হবে। আর ভোটের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে ১ এপ্রিলের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে।

জাতীয় সংসদে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে। জোট বা দলের আসন অনুপাতে সংরক্ষিত আসন বণ্টন করা হয়। কোনো জোট বা দল বা স্বতন্ত্র প্রার্থীরা কে কত আসন পাবেন, তার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে- জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন হবে আনুপাতিক।

এ ক্ষেত্রে মোট সংরক্ষিত আসনকে জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে, সেই ভাগফলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দল বা জোট বা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রাপ্ত আসন সংখ্যার গুণফলই হবে ওই দল বা জোট বা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সংরক্ষিত নারী আসন সংখ্যা।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮টি আসন পেয়েছে। আওয়ামী লীগ ২৫৭ আসনে জয়লাভ করায় তারা পাবে ৪২টি আসন।

ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচিত এমপিরা অধিবেশন শুরুর পর নব্বই দিন পর্যন্ত শপথ নেয়ার সুযোগ পাবেন। তারপরও শপথ না নিলে আসনগুলোতে পুনরায় নির্বাচন হবে। ঐক্যফ্রন্ট সংসদে গেলে তাদের জন্য দু’টি সংরক্ষিত নারী আসন থাকবে। আর স্বতন্ত্র প্রার্থীরা কোনো জোটে যোগ না দিলে তাদের জন্য থাকবে একটি সংরক্ষিত আসন।
ফেমাসনিউজ২৪/এফএম/এমএম