logo

শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯ | ৬ বৈশাখ, ১৪২৬

header-ad

‘টাকা তুলতে’ ছাত্রলীগের মারামারি, আটক ১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

রাজধানীর পল্টনে আজাদ সেন্টারে ‘টাকা আদায় করতে যাওয়া’ ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির পর ১৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটকদের একজন পল্টন থানা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ মিরন বলে পুলিশ জানায়।

আটক ছাত্রলীগকর্মীরা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের ওপরও হামলা করে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর এ ঘটনা ঘটে। ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপ কমিশনার আনোয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

এদিকে এ ঘটনা নিয়ে দুই ধরনের বক্তব্য পাওয়া গেছে। ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা জানান, তুহিন নামে একজনের কাছ থেকে ‘পাওনা টাকা’ আনতে যাওয়ার পর এ ঘটনা ঘটে। তবে তুহিনের অভিযোগ, তার কাছে চাঁদাবাজি করতে যায় ছাত্রলীগ কর্মীরা।

পুলিশ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, আজাদ সেন্টারের ১৮ তলায় তুহিন নামে একজন ‘প্রতারকের’ কাছে পাওনা টাকা আদায় করতে যান ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। তবে এ টাকা তারা পেতেন না। অন্য একজন পেতেন। আর তাদের হয়েই যেখানে যান ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা।

সেখানে পাওনা টাকা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেও পারেনি। একপর্যায়ে দুই পক্ষের ১৭ জনকে আটক করা হয়। যারাই দোষী তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তুহিন পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, ছাত্রলীগের ছেলেরা তার কাছে চাঁদাবাজি করতে এসেছিল। উপকমিশনার জানান, দুইপক্ষের অভিযোগ নেয়া হবে। যে দোষী তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপ কমিশনার শিবলী নোমান জানান, পুলিশ থামাতে গেলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পুলিশ এবং আনসার সদস্যদেরও মারধরর করে। এতে তিনজন আহত হন।

তিনি জানান, এ ঘটনায় পল্টন থানা ছাত্রলীগ সভাপতি শেখ মিরনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা করা হবে।

ফেমাসনিউজ২৪.কম/আরআই/আরবি