logo

সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮ | ৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫

header-ad

৩৩ দিন পর আবারও কারাগারে খালেদা

আদালত প্রতিবেদক | আপডেট: ০৮ নভেম্বর ২০১৮

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নাইকো দুর্নীতি মামলার শুনানি শেষে আবারও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুরাতন ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে অস্থায়ীভাবে স্থাপিত ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ মাহমুদুল কবীরের আদালতে আজ বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে শুনানি শুরু হয়। শেষ হয় দুপুর সোয়া ১টার দিকে। পরে তাকে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কারাগারে নির্ধারিত কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়।

গত ৩৩ দিন খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

এর আগে আজ বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে নাজিমউদ্দিন রোডের পুরোনো কারাগারের ভেতর অস্থায়ী আদালতে নেয়া হয়। এ সময় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। পুলিশসহ আইনশৃংখলা বাহিনী ছিল তৎপর।

হাসপাতাল থেকে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত জিনিসপত্র সকালে একটি গাড়িতে করে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয় বলে এক কারা কর্মকর্তা জানান।

সকাল থেকেই বিএসএমএমইউয়ের চারপাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। আশপাশ এলাকায় মোতায়েন করা হয় বিপুলসংখ্যক পুলিশ। একইভাবে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কারাগারের আশপাশেও।

বিএসএমএমইউর পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুলাহ আল হারুন সাংবাদিকদের বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে উন্নতি হয়েছে। তাই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

কয়েকদিন আগেই সরকারের সঙ্গে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর বিশেষ করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংলাপ শুরুর পর প্যারোলে খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি আলোচনায় আসে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দুই দফা সংলাপে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি করেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও সম্প্রতি বলেছেন, বিএনপি খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তি চাইলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করতে পারে। পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংলাপেও খালেদা জিয়ার জামিনের জোরালো দাবি করেন বিএনপি নেতারা।

সংলাপ শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপে ঐক্যফ্রন্ট খালেদা জিয়ার মুক্তি চাননি, জামিন চেয়েছে। তবে আদালত যদি তাকে জামিন দেন, তাহলে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।

গত ৩০ অক্টোবর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা ৫ থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করেন হাইকোর্ট। এ ছাড়া অপর আসামিদের ১০ বছরের সাজা বহাল রাখা হয়।

ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান গত ৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলার রায়ে খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। গত ৬ অক্টোবর খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল। তখন থেকে তিনি বিএসএমএমইউয়ের ৬১২ নম্বর কেবিনে ছিলেন।

ফেমাসনিউজ২৪.কম/আরআই/আরবি