logo

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৮ আশ্বিন, ১৪২৭

header-ad

নির্বাচন বাতিল চেয়ে ঐক্যফ্রন্টের ৭৪ মামলা

আইন-অপরাধ ডেস্ক | আপডেট: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ভোটে অনিয়মের অভিযোগ এনে ভোট বাতিল চেয়ে ঢাকাসহ ৮টি বিভাগে হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে ৭৪টি মামলা করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।

আবেদনে তিনটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। তা হলো- একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাতিল ঘোষণা, নির্বাচনে যিনি বিজয়ী হয়ে আসছেন তাকে বাতিল ঘোষণা এবং অপর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা।

গত সোমবার থেকে আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ৭৪টি মামলা করেন বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা। আরো কয়েকটি মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

প্রার্থীদের প্যানেল আইনজীবী এ কে এম এহসানুর রহমান বিকেল ৬টা পর্যন্ত ৭৪টি আবেদন দায়ের করা হয়েছে বলে জানান।

প্রথমে গত সোমবার মামলা করেন ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ও টাঙ্গাইল-৭ আসনে বিএনপির আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী।

এরপর গতকাল বুধবার হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন বিএনপির বরিশাল-১ আসনের জহির উদ্দিন স্বপন, গাজীপুর-৪ আসনের শাহ রিয়াজুল হান্নান, মৌলভীবাজারের-৩ আসনের নাসের রহমান, মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের আবদুল হাই ও ভোলা-২ আসনের মো. হাফিজ ইব্রাহিম।

আজ বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৬৬ প্রার্থী। এদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, ঢাকা-৭ আসনের মোস্তফা মোহসিন মন্টু, ঢাকা-১৯ আসনের বিএনপির প্রার্থী ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু, কুড়িগ্রাম-৩ আসনের প্রার্থী আসভিরুল ইসলাম, লালমনিরহাট-১ আসনের হাসান রাজীব প্রবীন, দিনাজপুর-৪ আসনের আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-২ আসনের মো. সাদিক রিয়াজ, রংপুর-৬ আসনের সাইদুল ইসলাম ও গাইবান্ধা-৫ আসনের মো. ফারুক আলম সরকার। আবেদনে নির্বাচনে কারচুপি, জালিয়াতি ও ভোট ডাকাতির অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাতিল করে আবার ভোটের দাবিতে বিএনপি, গণফোরামসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্য প্রার্থীরা হাইকোর্টে এ মামলা করেন। হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও বিএনপির আইনজীবীরা এ তথ্য জানিয়েছেন।

এসব মামলা পরিচালনা করার জন্য আইনজীবীদের নিয়ে একটি প্যানেল গঠন করা হয়েছে। কয়েকজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবীকে ভাগ করে মামলাগুলো পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসে। ৩০০ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ২৮৬টি আসন। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট পেয়েছে মাত্র ৮টি আসন।

ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ এনে পুনরায় নির্বাচনের দাবি তুলে শপথ গ্রহণ করেনি। বিএনপি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে উপনির্বাচন এবং উপজেলা পরিষদ নির্বাচনও বর্জন করেছে।

এদিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণে অনিয়ম নিয়ে গণশুনানি করবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। গণশুনানিতে প্রধান বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন আইন প্রণেতা গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন।
ফেমাসনিউজ২৪/এফএম/এমএম