logo

বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১ | ১৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮

header-ad

ছিনতাইয়ের গল্প সাজিয়ে থানায় এসে ধরা খেলেন যুবক!

স্টাফ রিপোর্টার | আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

মনির হোসেন মুন্নাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর পল্লবীতে ছিনতাইয়ের গল্প সাজিয়ে এক বন্ধুর ১০ লক্ষ ২০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করতে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন এক যুবক। ওই যুবকের নাম মনির হোসেন মুন্না।

তিনি প্রতারণার মাধ্যমে তার বন্ধু দিদারুল আলম মজুমদারের টাকা আত্মসাৎ করতে গিয়ে ছিনতাই নাটক সাজান। এরপর পল্লবী থানায় এসে একটি অভিযোগ করেন।

তার অভিযোগের তদন্তেই বেরিয়ে আসে ছিনতাই নাটকের আসল রহস্য।

প্রতারণা ও পুলিশকে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অপরাধে প্রতারক মনির হোসেন মুন্নার বিরুদ্ধে ১৪ তারিখ সোমবার পল্লবী থানায় একটি মামলা হয়।

পুলিশ জানায়, সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মনির হোসেন মুন্না পল্লবী থানায় এসে অভিযোগ করেন মিরপুর ১১ নম্বর ব্র্যাক ব্যাংক থেকে দশ লক্ষ বিশ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার পথে মিরপুর ৬ নম্বর সি ব্লকে ওই টাকা ছিনতাই হয়। ৪-৫ জন ছিনতাইকারী অস্ত্র ঠেকিয়ে এ টাকা ছিনতাই করে।

মুন্নার মৌখিক অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে পল্লবী থানার এসআই তারিক উর রহমান শুভ ওই দিনই সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তিনি আশপাশের সিসি ক্যামরার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। ঘটনার সত্যতা না পেয়ে মুন্নাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এক পর্যায়ে প্রতারক মুন্না টাকা আত্মসাতের কথা স্বীকার করেন।

পরে মিরপুর ৬ নম্বর সি ব্লক ২ নম্বর রোড ৯ নম্বর বাসা থেকে সমুদয় টাকা উদ্ধার করেন পল্লবী থানার এ চৌকস অফিসার।

পুলিশ জানায়, শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় দিদারুল আলম মজুমদার তার ভাইয়ের বন্ধু জনি’র কাছ থেকে দশ লক্ষ বিশ হাজার টাকার একটি চেক আনতে বলেন তার বন্ধু মনির হোসেন মুন্নাকে। এরপর চেক ভাঙ্গিয়ে দিদারুলকে মুন্না ফোন দিয়ে বলেন টাকা ছিনতাই হয়ে গেছে।

প্রতারক মুন্না তার বন্ধু দিদারুলের টাকা আত্মসাৎ করতে গিয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনা সাজিয়ে থানায় এসে হাজির হন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। পুলিশের কাছে ধরা খেয়ে যান প্রতারক মুন্না।

পল্লবী থানার ওসি পারভেজ ইসলাম বলেন ছিনতাইয়ের নাটক সাজিয়ে প্রতারক মুন্না বিশ্বাস ভঙ্গ করে টাকা আত্মসাৎ করতে চেয়েছিল। পুলিশ তার কূটকৌশল ধরে ফেলেছে। তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।