logo

শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮ | ৫ শ্রাবণ, ১৪২৫

header-ad

২০১৮ বইমেলায় স্টলের অসম বণ্টননীতির প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ০৮ জানুয়ারি ২০১৮

অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০১৮-এর স্টলের অসম বণ্টননীতির প্রতিবাদ জানিয়েছে কয়েকটি প্রকাশনা সংস্থা। এর মাঝে রয়েছে, বেহুলাবাংলা, খড়িমাটি, টাপুরটুপুর সহ অনেকে।

আগামীকাল ৯ জানুয়ারি বুধবার বিকেল ৪টায় কাটাবন কনকর্ড টাওয়ারের সামনে সাংবাদিক সম্মেলন আয়োজনের ঘোষণাও দেয়া হয় প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

গণমাধ্যমে পাঠানো প্রতিবাদে তারা জানায়, গত দুই বছর বইমেলায় প্রকাশনা সংস্থা হিসেবে অংশ নিয়েছে বেহুলাবাংলা। দুই শতাধিক বইও প্রকাশ করেছে। সারা বছর বই প্রকাশের পাশাপাশি শুধু ২০১৭ মেলায়ই ৮৩টি নতুন বই প্রকাশ করেছে প্রকশনাটি।

মহান মুক্তিযুদ্ধের বাস্তব ঘটনা নিয়ে ৭১টি উপন্যাস প্রকাশের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে বেহুলাবাংলা প্রকাশনী। সেই প্রকাশনার উদ্বোধন করেছিলেন কথাশিল্পী সেলিনা হোসেন। এরপর ২০১৭ একুশের বইমেলাতেই বেহুলাবাংলা ৮৩টি নতুন বই প্রকাশ করে। এত সংখ্যক বই প্রকাশের পরও এক ইউনিটের স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মেলায়। ফলে স্টলে বই সাজিয়ে রাখাটাই ছিল অনেকটা কষ্টসাধ্য ব্যাপার।

উল্লেখ্য, বেহুলাবাংলা এবছর (২০১৮ বইমেলায়) দেড় শতাধিক বই প্রকাশ করছে। যেখানে বিনয় মজুমদার বিষয়ক প্রবন্ধ সমগ্র, মঈন চৌধুরীর দর্শন বিষয়ক রচনা সমগ্র, নির্মলেন্দু গুণের সাক্ষাৎকার সমগ্রের মতো হাজার পৃষ্ঠার বইও রয়েছে। 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জম্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বেহুলাবাংলা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ১০০ উপন্যাস প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যেই এই কাজ শুরু হয়েছে। যা ২০২০ সালে সম্পন্ন হবে।

খড়িমাটি এই পর্যন্ত ৬৭টি বই প্রকাশ করেছে। এরমধ্যে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য বই রয়েছে। রয়েছে বেশ কিছু অনুবাদের বইও। ঢাকার বাইরে থেকে চট্টগ্রামে থেকেও এই ধরণের কাজ করা খুব সহজ নয়। ৫০টি বই থাকলেই যেখানে স্টল পাওয়ার নিয়ম সেখানে খড়িমাটিকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে টাপুরটুপুর ছোটদের প্রকাশনী। এই প্রকাশনীরও অর্ধ শতাধিক বই রয়েছে। জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন, মহাদেব সাহা, আখতার হুসেনদের বই থাকা স্বত্ত্বেও টাপুরটুপুর স্টল বরাদ্দ পায়নি।

লক্ষ করার বিষয়, তারুণ্যনির্ভর প্রকাশনাগুলো যেখানে ঠিকভাবে স্টলের ইউনিট পাচ্ছে না, সেখানে মেলায় এবার প্যাভিলিয়নের সংখ্যা বাড়িয়ে ২৩টি করা হয়েছে।

প্রতিবাদে জানানো হয়, ১১ জানুয়ারির মধ্যে মেলার স্টলবন্টন পুনঃবিবেচনা করা না হলে ১৩ তারিখ প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করবে তারা। 

ফেমাসনিউজ২৪/আরআর/আরইউ