logo

বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১৪ ফাল্গুন, ১৪২৬

header-ad

স্বপ্নের নুহাশপল্লীতে হুমায়ূন স্মরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ১৯ জুলাই ২০১৮

আজ ১৯ জুলাই, বৃহস্পতিবার। জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে সবুজেঘেরা স্বপ্নের নুহাশপল্লীতে প্রয়াত কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের কবর জিয়ারত, কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কোরআন খানি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

আজ সকালে হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন তার দুই ছেলে নিশাত ও নিনিতকে নিয়ে নুহাশপল্লীতে যান। পরে তিনি বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সন্তানদের নিয়ে হুমায়ূন আহমেদের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় শাওনের বাবা ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী, অভিনেতা সৈয়দ হাসান সোহেল, হুমায়ূনভক্ত ও নুহাশপল্লীর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে দোয়ায় শরিক হন। পরে হুমায়ুন আহমেদের দুই শিশু সন্তান নিশাত ও নিনিত তার বাবার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় এবং কবরে হাত বুলিয়ে দেয়।

এর আগে, সকাল থেকে হুমায়ূন আহমেদের ভক্তরা নুহাশপল্লীতে যান এবং কবর জিয়ারত করেন। প্রচণ্ড গরম উপেক্ষা করে শত শত ভক্ত নুহাশপল্লীতে ভিড় জমাতে শুরু করেন। অনেকেই প্রিয় লেখকের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান ও তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। সকালে হুমায়ূন আহমেদের কবর জিয়ারত করতে আসেন বেশ কয়েকজন প্রকাশক ও নাট্য অভিনেতাও।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল থেকে নুহাশপল্লীর আশপাশের এলাকার বেশ কয়েকটি মাদরাসা ও এতিমখানার কয়েকশ শিক্ষার্থী নুহাশপল্লীতে বৃষ্টি বিলাস কটেজে কোরআন খতম করেন। দুপুরে মেহের আফরোজ শাওন নিজ হাতে এতিম শিশুদের খাবার পরিবেশন করেন।

মেহের আফরোজ শাওন সাংবাদিকদের বলেন, ‘হুমায়ুন আহমেদ সবুজ বৃক্ষ পছন্দ করতেন। সেই সবুজ বৃক্ষ, বৃক্ষের ছায়ায় মাখামাখি হয়ে আছে হুমায়ুন আহমেদের নুহাশপল্লী।

তিনি বলেন, ‘হুমায়ূন আহমেদের সবচেয়ে বড় স্বপ্নটা ছিল ক্যান্সার হাসপাতাল। সেটা আমার একার পক্ষে পূরণ করা সম্ভব নয়। যারা এদেশের গুণীজন, নীতিনির্ধারক আছেন, তাদের কাছে অনুরোধ, সবাই মিলে যদি একটু উদ্যোগ নেন তাহলে এটা খুব সহজেই করা সম্ভব।’

ফেমাসনিউজ২৪.কম/আরআই/আরবি