logo

সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০১৯ | ৬ কার্তিক, ১৪২৬

header-ad

যে কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কম যেতেন আল মাহমুদ

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

‘সোনালী কাবিন’র কবি আল মাহমুদ। বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করা এই কবির পৈতৃক নিবাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের মৌড়াইল এলাকায়। তবে তিনি নিজ এলাকায় খুব কমই যেতেন। জানা যায়, মনে কষ্ট থেকেই তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যাতায়াত কমিয়ে দিয়েছিলেন।

এর মধ্যে গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১১টা ৫ মিনিটে ঢাকার একটি হাসপাতালে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়।

১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই মৌড়াইল মহল্লার মোল্লাবাড়িতে জন্ম নেয়া আল মাহমুদ দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে ছিলেন সবার বড়। পরিবার নিয়ে ঢাকায় থাকার কারণে মাঝে-মধ্যে অল্প সময়ের জন্য পৈতৃক নিবাসে আসতেন। তবে বছর খানেক আগে থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসা-যাওয়া কমিয়ে দিয়েছিলেন।

আজ শনিবার সকালে কবি আল মাহমুদের ভাতিজা মীর রব্বান হোসেন বলেন, কাকা মাঝে-মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আসতেন। তবে নিজ পৈতৃক ভিটায় থাকেননি প্রায় এক যুগের বেশি সময়। আর অসুস্থতাজনিত কারণে গত এক বছর ধরে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসেননি।

তিনি বলেন, নিজ বাড়িতে যখন আসতেন, তখন তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভিড় লেগে থাকত। তাদের সঙ্গে গল্প করে অনেক সময় দিতেন। দিনে বেশির ভাগ সময় বসে থাকতেন বাড়ির সামনের পুকুর ঘাটে। অনেক সময় বড়শি দিয়ে মাছও শিকার করতেন।

রব্বান আরও বলেন, কাকার পৈতৃক ভিটায় আগের দিনের একটি চৌচালা ঘর ছিল। যখন তিনি আসতেন ওই ঘরে অবস্থান করতেন। সেখানে ঘরটি ভেঙে এখন ভবন করা হয়েছে। এতে মনে অনেক কষ্ট পেয়েছেন। এরপর থেকেই তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসা কমিয়ে দেন।

১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশ নেয়া কবি আল মাহমুদ ১৯৭৪ সালে গণকণ্ঠের সম্পাদক থাকাকালে কারাবরণ করেন।

১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক পদ থেকে অবসর নেন তিনি। সাহিত্যকর্মের জন্য তিনি একুশে পদক ও বাংলা একাডেমিসহ অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন।

ফেমাসনিউজ২৪.কম/আরআই/আরবি