logo

গার্মেন্টে ১৬ হাজার টাকা মজুরির দাবি, ঈদের পর আন্দোলন

গার্মেন্ট শ্রমিকদের জন্য ১৬ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবি আদায়ে আসন্ন ঈদুল আজহার পর জোরদার আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র।

শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক সমাবশে সিপিবির সহযোগী শ্রমিক সংগঠনটি এ হুঁশিয়ারি দেয়।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক জলি তালুকদার মালিকদের উদ্দেশে বলেন, আপনাদের অত্যাচার, জুলুম, হামলা-মামলা, হুলিয়া কোনো কিছুকেই আমরা তোয়াক্কা করব না। ঈদের পরে শক্তিশালী শ্রমিক আন্দোলন হবে। যে আন্দোলন ২০০৬, ২০১০ ও ২০১৩ সালকে ছাড়িয়ে যাবে। সেই আন্দোলন সংগঠিত ও সচেতন আন্দোলন হবে।

তিনি বলেন, আমরা যদি মাঠে না নামি, আন্দোলন না করি তাহলে মজুরি বৃদ্ধি পাবে না। আন্দোলনের জন্য সবাই প্রস্তুত হোন, ঈদ যাবে, ঈদের পরপরই শক্তিশালী আন্দোলন শুরু হবে। ১৬ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি আদায় করতে হবে।

ঈদের পরে আন্দোলনের যুক্তি তুলে ধরে জলি বলেন, ঈদের আগে নিশ্চয় আমরা চাকরি হারাতে চাই না। কারণ, আমরা জানি যখনই আন্দোলন-সংগ্রাম হয় তখন আপনারা (মালিক) ছাঁটাই করেন। শ্রমিকদের ওপর নির্যাতন-জুলুম-হুলিয়া চালান। মাস্তান নিয়ে শ্রমিকদের বাড়ি বাড়ি হামলা করেন।

সংগঠনের সভাপতি অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ বলেন, সবার কাছে শ্রমিক শ্রেণির দোহাই দিয়ে বলছি, এখন থেকে প্রতিটি শ্রমিক ভাইকে বলতে হবে ১৬ হাজার টাকা মজুরি না নিয়ে আমরা কেউ ঘুমাব না, আমরা কেই চুপ থাকব না।

সরকার ও গার্মেন্ট মালিকদের উদ্দেশে সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, দিন চলে যাচ্ছে, জিনিসের দাম বাড়ছে। ১৬ হাজার টাকা রাজি না হলে ২০ হাজার টাকা আদায় করে ছাড়ব।

২০১৩ সালের ১ ডিসেম্বর তিন হাজার টাকা মূল বেতন ধরে পোশাক শ্রমিকদের জন্য ৫ হাজার ৩০০ টাকা ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করে সরকার। এরপর এবার মজুরি বাড়ানোর জন্য নতুন বোর্ড গঠন করা হয়েছে, যেখানে মালিকরা ন্যূনতম মজুরি ছয় হাজার ৩০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করেছেন।

ফেমাসনিউজ২৪/আরআর/আরইউ