logo

রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭ | ৩ পৌষ, ১৪২৪

header-ad

তিন সমাজ উন্নয়ন সংগঠনকে এলজির অনুদান

বাকি বিল্লাহ | আপডেট: ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭

দেশের বিভিন্ন এলাকায় সমাজ পরিবর্তনের অংশীদার তিন তরুণ সমাজ উন্নয়ন সংগঠনকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে বহুজাতিক কোম্পানি এলজি ইলেক্ট্রনিক্স বাংলাদেশ। পাশাপাশি তাদেরকে ‘এলজি অ্যাম্বাসেডর’ স্বীকৃতিও দেয়া হয়। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর কাওরান বাজারে বেস্ট ওয়েস্টার্ন না ভিঞ্চি হোটেলে এক অনুষ্ঠানে এ স্বীকৃতি ও সহায়তা প্রদান করা হয়।

স্বীকৃতি ও সহায়তাপ্রাপ্ত সংগঠনগুলো হলো- ব্রাক্ষনবাড়িয়া ব্যাচ ৯৭, নোয়াখালীর সুবর্ণ আলো গণগ্রন্থগার এবং চাঁদপুরের তারুণ্যের অগ্রদূত।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এলজি ইলেকট্রনিক্স বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যাডওয়ার্ড কিম বলেন, ‘সমাজ পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার তারুণ্যের শক্তি। বাংলাদেশের তরুণরা অনেক উদ্যমী। দেশের ও সমাজের নান সমস্যা সমাধানে তরুণরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। এমন অনেক কর্মসূচি ইতোমধ্যে সাফল্য ও স্বীকৃতি পেয়েছে। কিন্তু অনেক স্বপ্ন-উদ্যোগ শুধু আর্থিক সক্ষমতা না থাকার করণে বাস্তবায়িত হতে পারে না। তরুণদের এমন স্বপ্ন বাস্তবায়নের অংশীদার হতে চায় এলজি।’

তিনি আরও বলেন, আজ যাদেরকে সহযোগিতা প্রদান করা হল তারা নিজ নিজ এলাকায় আর্থসামাজিক উন্নয়নে কাজ করছে। এলজির সহযোগিতা এবং স্বীকৃতি তাদের পথচলায় গতি আনবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এলজি ইলেক্ট্রনিক্স বাংলাদেশের হেড অব কনজ্যুমার ইলেক্ট্রনিক্স মাহমুদুল হাসান বলেন, শুধু ব্যবসা নয়, সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এরই অংশ হিসেবে সম্প্রতি এলজি বিভিন্ন ধরণের সিএসআর কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।

তিনি জানান, গত সেপ্টেম্বরে হিতৈষী সংঘ ও জরা বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান, আদ-দ্বীন হাসপাতাল এবং এতিমখান ও শিশুযত্ন কেন্দ্র ছোটমনি নিবাসে মোট ৩০ হাজার ডলার মূল্যের এসি প্রদান করে এলজি।

তিনি বলেন, গত বছর রাজধানীর রায়েরবাজারে জাগো স্কুলে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য এলজি আইটি একাডেমি এবং এ বছর টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ট্রাস্ট ফান্ড প্রতিষ্ঠা করেছে।

অনুষ্ঠানে ব্যাচ ৯৭’র মুখপাত্র হাসান জাবেদ ও তারুণ্যের অগ্রদূতের সভাপতি ভিভিয়ান ঘোষের কাছে ৫ লাখ এবং সুবর্ণ আলো গণগ্রন্থাগারের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য পিন্টু রঞ্জন দাসের কাছে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সমপরিমাণ আর্থিক সহযোগিতার ব্যাংক চেক হস্তান্তর করেন এলজি ইলেক্ট্রনিক্স বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যাডওয়ার্ড কিম।

উল্লেখ্য, সমাজ পরিবর্তনের অংশীদার হতে চাওয়া তরুণদেরক অনুপ্রাণিত করতে এবং তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সহযোগিতা করার লক্ষ্যে ‘এলজি অ্যাম্বাসেডর প্রকল্প’ গ্রহণ করে কোম্পানিটি। সেখানে ২শ ৩৭টি প্রকল্ক প্রস্তাব জমা পড়ে। ওই প্রস্তাবগুলো থেকে উপযোগিতা, টেকসই গুণাবলী এবং বাস্তবায়নের দক্ষতা বিবেচনায় এগিয়ে থাকা তিনটি সংগঠনের প্রকল্প নির্বাচিত করা হয়।

ফেমাসনিউজ২৪ডটকম/বিবি/এফ/এন