logo

বুধবার, ১৫ আগস্ট ২০১৮ | ৩১ শ্রাবণ, ১৪২৫

header-ad

‘গরুর মাংস উৎপাদনে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ না’

বাকি বিল্লাহ | আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

দেশে গরুর মাংসের দাম নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকায় স্থান পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে দামের তারতম্য দেখা যায়। রাজধানীর বাজারগুলোতে ৫০ টাকা পর্যন্ত দামের কমবেশি দেখা গেছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ মাংস বিক্রেতা সমিতির সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম বলেন, শহরে গরুর মাংস ৪৫০ থেকে ৪৮০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে এবং মফস্বলে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। মাংসের মূল্য নির্ধারণ, পর্যবেক্ষণ ও জন সম্পৃক্তকরণ করা দরকার, অথচ তা করা হচ্ছে না। আমরা বহুবার এ বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। তাদের কোনো সহযোগিতা পাইনি।

তিনি আরো বলেন, আমরা এখন নিরুপায়। আমরা দেখছি মাংস নিয়ে দেশে কী হচ্ছে। চার বছর ধরে সরকার পক্ষের সঙ্গে বৈঠকের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাচ্ছি না।

জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে কয়েকদিন গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৩৫০ টাকায় পাওয়া গেছে। এর কয়েকদিন পর ফের গরুর মাংসের দাম বেড়ে কেজিপ্রতি ৪৮০ টাকা হয়েছে। এর কী কারণ? এমন প্রশ্নে রবিউল আলম বলেন, সাধারণ মানুষ গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। এরপর কয়েকজন কালোবাজারি ব্যবসায়ী আইনের তোয়াক্কা না করে ভারত থেকে হিমায়িত মাংস আমদানি করে। কিন্তু মানুষ এই প্যাকেটজাত মাংস গ্রহণ করেনি। পরে তারা এই মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে কমদামে বাজারে ছেড়ে দেয়। ফলে ওই সময়ে অনেক গরু ব্যবসায়ীকে লোকসান গুনতে হয়েছে।

‘বাংলাদেশ এখন মাছ ও মাংস উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ’- এ বাক্যের প্রতিক্রিয়ায় রবিউল আলম বলেন, প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ যে ঘোষণা দিয়েছেন তার সঙ্গে আমার দ্বিমত রয়েছে। মাংসের ক্ষেত্রে পোল্ট্রি মুরগির মাংস উৎপাদনে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারি। কিন্তু গরুর মাংস উৎপাদনে আমরা এখনও স্বয়ংসম্পূর্ণ না।

ফেমাসনিউজ২৪/আরএ/আরইউ