logo

রবিবার, ২৪ জুন ২০১৮ | ১০ আষাঢ়, ১৪২৫

header-ad

বাজার অস্থিরতার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক দায়ী

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ১৩ মার্চ ২০১৮

দেশের শেয়ারবাজারে তারল্য সংকটের কারণে বাজার গতিশীল হতে পারছে না এবং অস্থিরতাও কাটছে না। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে দায়ী করেছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ব্রোকার এসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তাক আহমেদ। মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান কাযালয়ে শেয়ারবাজারের সার্বিক পরিস্থিতি বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলে।

মোস্তাক আহমেদ বলেন, দেশে মূলত তারল্য সংকটের কারণেই শেয়ারবাজার ধ্বংসের মত ঘটনা ঘটছে। আর বাংলাদেশ ব্যাংক তা বসে বসে দেখছেন। তাদের এ অসহযোগিতার কারণে দেশের শেয়ারবাজেরর এমন বেহাল দশা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন সীমাবন্ধতার কারণে দেশের বেসরকারি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানগুলো শেয়ারবাজারে যথাযথ বিনিয়োগ করতে পারছে না। ব্যাংক ঋণ ও আমানতের সুদ হার অনুপাতের রেশিও বাড়ালে শেয়ারবাজের বিনিয়োগ বাড়বে। বাংলাদেশ ব্যাংক শেয়ারবাজের যে পরিশাণ বিনিয়োগের রুল জারি করেছে তাতে করে ইচ্ছে থাকলেও কোন প্রতিষ্ঠান বেশি বিনিয়োগ করতে পারেনা। এ ক্ষেত্রটা বাংলাদেশ ব্যাংকে দেখার আহবান জানান তিনি।

ডিবিএ সভাপতি মোস্তাক আহমেদ সাদেক বলেন, আজকের বৈঠকে শীর্ষ ৩০ ব্রোকারেজ প্রতিনিধিদের বক্তব্য শুনেছি। তাদের ব্ক্তব্যের ভিত্তিতে বলা যায়, পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি বাংলাদেশ ব্যাংককের কারণেই হচ্ছে। কারণ হলো প্রাতিষ্ঠানিক বড় বিনিয়োগকারীদের থেকে যে সাপোর্ট আমরা পেতাম; সেটা এবার পর্যাপ্ত নয়।

তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ফান্ড থাকার পরও এক্সপোজারের কারণে তারা বিনিয়োগ করতে পারছে না। বিনিয়োগ করলেই তাদের বিভিন্ন ধরণের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়।

তিনি আরও বলেন, বাজারে সাপোর্ট দিতে আমরা আইসিবিকে বরাবরই শক্তিশালী অবস্থান নিতে দেখেছি। তবে খোদ আইসিবিকেই যদি দুর্বল করে রাখা হয়; তাতে সাপোর্ট লেবেলও দুর্বল হয়ে যায়।

এডিআরের বিষয়ে তিনি বলেন, এক সার্কুলারের মাধ্যমে ৬ মাসের মধ্যে সমন্বয় করার কথা বলা হলেও পরে এটির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ানো হয়েছে। তবে ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ দেয়ার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণে এ বিষয়টি বাজারের কোনো উপকারে আসছে না।
ফেমাসনিউজ২৪/এসআর/পিআর