logo

রবিবার, ২২ জুলাই ২০১৮ | ৭ শ্রাবণ, ১৪২৫

header-ad

২৪ হাজার কোটি টাকায় হচ্ছে চার বিদ্যুৎকেন্দ্র

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ১১ জুলাই ২০১৮

প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে ৬০০ মেগাওয়াটের চারটি বিদ্যুৎকেন্দ্র। দেশীয় প্রতিষ্ঠান সামিট, জাপানের মিতসুবিশি করপোরেশন ও যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল ইলেকট্রিক তিন বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা) বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে, যা এযাবৎকালে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ বলে জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

আজ বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এক চুক্তিসই অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কাইকাউস, জ্বালানি, খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম, বিপিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ প্রমুখ।

নসরুল হামিদ বলেন, আমাদের এখানে এখন বিনিয়োগের ভালো পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। যার ফলে বিভিন্ন দেশ এখন বিনিয়োগ করতে প্রতিনিয়ত আমাদের দ্বারস্থ হচ্ছেন। একটা সময় ছিল যখন শুধু সরকারই বিনিয়োগ করতে। সেই সময় আর নেই এখন বেসকারিভাবে বড় বড় নিনিয়োগ হচ্ছে। যার উদাহরণ হচ্ছে আজকে এ তিন বিনিময় মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ চুক্তিসই।

সামিটের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান বলেন, সরকারের ভিশন ২০২১ এবং ২০৩০ বাস্তবায়নে, সামিট, জিই এবং মিতসুবিশির সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় বেসকারি বৈদেশিক সরাসরি বিনিয়োগ আনছে (এফডিআই) যেন জনগণ এবং ব্যবসা ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি চাহিদা সবচেয়ে সেরা প্রযুক্তি। সেই সাথে কম দামে সরবরাহ করা যায়।

তিনি বলেন, জিই পাওয়ার তার ক্রেতার কাছে পৌঁছে দিচ্ছে সমস্ত পরিসরের জ্বালানি রূপান্তর ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তি।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সামিট এ প্রকল্পের প্রধান অংশীদার হবে। বাকি অংশীদারিত্ব করবে মিতসুবিশি এবং জিই। এ সমঝোতা চুক্তি মূলত গত ১৩ মার্চ ২০১৮ সিঙ্গাপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে মিতসুবিশির সাথে সামিটের জয়েন্ট ভেঞ্চারের চুক্তি হয়েছিল। এটা তারই অংশ বিশেষ।

এ প্রকল্প ২০২১ সালে শুরু হয়ে বিশ্বের সেরা ট্যারিফে ২০২৩ সালের মধ্যে এই প্রকল্পটি সম্পন্ন করার নকশা প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সামিটের উৎপাদন সক্ষমতা দ্বিগুণ হবে। প্রকল্পের মধ্যে থাকছে ৬০০ মেগাওয়াটের চারটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা হবে, যা থেকে মোট উৎপাদন সক্ষমতা ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে।

এলএনজি টার্মিনালের দুটি ইউনিট, যার মোট ক্যাপাসিটি হবে তিন লাখ আশি হাজার মিটার; এক লাখ মেট্রিক টন ক্যাপাসিটির তেল টার্মিনাল এবং আরও একটি ৩০০ মেগাওয়াটের এইচএফও ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে।
ফেমাসনিউজ২৪/এফএম/এমএম