logo

বুধবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৮ | ১ কার্তিক, ১৪২৫

header-ad

শ্রীলঙ্কার বন্দর ব্যবহার আশাবাদ বিজিএমইএ'র সভাপতির

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ১১ অক্টোবর ২০১৮

দেশের পোশাক পণ্য রফতানিতে শ্রীলঙ্কার সমুদ্র বন্দর ব্যবহারে করার লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। আমরা আশা রাখছি তাদের বন্দরটি আমরা ব্যবহার করতে পারব। এতে কম পক্ষে ১০ দিনের সময় বাঁচবে বলে জানান বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর বিজিএমইএ ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ সফরে আসা শ্রীলঙ্কার উন্নয়ন কৌশল ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিষয়কমন্ত্রী মালিক সামারাবিক্রমার নেতৃত্বে দেশটির শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র বৈঠকের বিষয়ে জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমরা যদি শ্রীলষ্কার বন্দরটি ব্যবহার করতে পাড়ি এতে বাড়বে রফতানি আয়। বন্দরটি কিভাবে ব্যবহার করা যায় এ লক্ষ্যে দু'দেশের মধ্যে একটি কমিটি গঠিত হবে৷

বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, দু'দেশের মধ্যে প্রথমত কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে, পোশাক রফতানির ক্ষেত্রে কিছু পণ্য শ্রীলঙ্কায় পাঠানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে লিড টাইম (পণ্য পরিবহনের সময়) কম লাগবে, খরচ কমবে। এই কাজে একটা কমিটি গঠন করা হবে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা দুই দেশের ব্যবসায়ীরা এতে থাকবেন। কমিটি করে দু'পক্ষের জন্য যেটা ভালো সেটা করা হবে।

সিদ্দিকুর বলেন, দ্বিতীয়টি হচ্ছে তাদের অনেকগুলো পোর্ট আছে, আমরা যদি তাদের পোর্ট ব্যবহার করি, তাহলে লিড টাইম কমে আসবে। বর্তমানে সিঙ্গাপুরের পোর্ট ব্যবহার করায় ২৬ থেকে ২৭ দিন সময় লাগে৷ শ্রীলঙ্কার পোর্ট ব্যবহার করলে ১৭ থেকে ১৮ দিন সময় লাগবে। এতে অন্তত ১০ দিনের মতো সময় কমে যাবে।

শ্রীলঙ্কার উন্নয়ন কৌশল ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিষয়কমন্ত্রী মালিক সামারাবিক্রমা বলেন, পোশাক খাতে দুই দেশের বাণিজ্য কীভাবে বাড়ানো যায় তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ইউরোপীয়ান ও অন্যান্য দেশে পোশাক রফতানি বাড়াতে দুই দেশই কাজ করতে আগ্রহী৷ শুধু গার্মেন্টস নয়, অন্যান্য খাতেও। দুই দেশের বাণিজ্য বাড়াতে আমরা এক সঙ্গে কাজ করতে চাই।

পোশাক শিল্প ব্যবসায়ীদের এ নেতা আরো বলেন, আমরা দু'দেশ এক সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করছি। শুধু তাই নয় সার্কের মধ্যে আঞ্চলিক বাণিজ্য কিভাবে বাড়ানো যায় সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, এখন শুধুই প্রাথমিক আলোচনা চলছে। এখনও কোনো চুক্তি সই হয়নি।