logo

শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮ | ৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫

header-ad

বাংলাদেশ রাজস্ব আদায়ে পিছিয়ে: সিপিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ০৮ নভেম্বর ২০১৮

দেশের এসডিজির লক্ষ্য অর্জন, বৈশ্বিক অর্থনীতির অস্থিরতা ইত্যাদির কারণে রাজস্ব আহরণের গুরুত্ব অনেক। কিন্তু জিডিপি অনুপাতে রাজস্ব সংগ্রহ ও কর আহরণ কোনো ক্ষেত্রেই অগ্রগতি হয়নি। উন্নয়নশীল দেশের তুলনায় রাজস্ব আদায়ে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে বলে মনে করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)।

আজ বৃহস্পতিবার গুলশানের একটি হোটেলে সিপিডি আয়োজিত ‘বাংলাদেশের অর্থনীতির অনুঘটক : সংগ্রহ ও ব্যবহারের প্রতিবন্ধকতা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১০ সালে মোট করদাতার মাত্র ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ আয়কর দিয়েছে। প্রকৃত করদাতার সংখ্যা দ্বিগুণ করলে আয়কর-জিডিপির অনুপাত এক দশমিক পাঁচ শতাংশ হত। সিপিডির রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান, রিসার্চ এসোসিয়েট মুনতাসির কামাল ও প্রাক্তন ভিজিটিং রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট ফাইয়াজ তালুকদার এ গবেষণা কার্যক্রমটি পরিচালনা করছেন।

সংগঠনটির প্রতিবেদনে ২০১৮ সালের এক জরিপে দেখা যায়, ৩২ শতাংশ সামর্থ্যবান ব্যক্তি ২০১৭ সালে আয়কর দিয়েছে। আর উচ্চ আয়ের ২৫ শতাংশের এক তৃতীয়াংশ আয়কর প্রদান করেনি। ৭৫ শতাংশ ব্যক্তির ধারণা কর ব্যবস্থা ধনীদের পক্ষপাতদুষ্ট। ৫০ শতাংশ কর ব্যবস্থাকে জটিল বলে মনে করে। আর ৮৫ শতাংশ কর ব্যবস্থায় সরকারি সেবা ও গুণগত মান নিয়ে অসন্তুষ্ট। ৬৫ শতাংশ ব্যক্তি মনে করে দেশের প্রচলিত কর ব্যবস্থায় দুর্নীতি বিদ্যামান।

কর আদায় বৃদ্ধি করতে সিপিডি কিছু সুপারিশ দিয়েছে। সুপারিশগুলোর মধ্যে কর অফিসের ভৌগলিক বিস্তৃতি ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করতে বলা হয়েছে। কর অফিসকে দুর্নীতিমুক্ত করা ও কর ফাঁকি দেওয়া ব্যক্তিদের আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া। এছাড়া নিম্ন আয়ের ব্যক্তিদের সহজতর রিটার্ন দাখিলের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। স্কুল পর্যায় থেকেই কর ব্যবস্থায় অংশ নেওয়ার গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার পাশাপাশি সরকারি সেবার মান বাড়ার সুপারিশ করেছেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোশররফ হোসেন ভূঁইয়া। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম, আইএমএফের আবাসিক প্রতিনিধি রেগন্যার গুডমুন্ডসন, এমসিসিআইয়ের সভাপতি নিহাদ কবির প্রমুখ।

ফেমাসনিউজ২৪/এজে/ কেআর