logo

বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮ | ৪ পৌষ, ১৪২৫

header-ad

ফুলকপি দশ টাকা!

অর্থবাণিজ্য ডেস্ক | আপডেট: ১৬ নভেম্বর ২০১৮

কয়েক দিন আগেও রাজধানীর বাজারগুলোতে ৬০-৭০ টাকা পিস বিক্রি হতো শীতের সবজি ফুলকপি। কিন্তু এখন মাত্র ১০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে এ সবজিটি। অধিকাংশ সবজির দামও এখন ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে। তবে বেগুন, লাউ, বরবটি দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে।

দাম না বাড়লেও এখনও বাজারে সব থেকে দামি সবজির তালিকায় রয়েছে গাজর ও টমেটো। দাম অপরিবর্তিত রয়েছে পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, বয়লার মুরগি, মাছ ও গরু-খাসির মাংসের। অবশ্য কিছুটা কমেছে ডিমের দাম। গত সপ্তাহে ১০০ থেকে ১০৫ টাকা ডজন বিক্রি হওয়া ডিমের দাম কমে দাঁড়িয়েছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা।

আজ শুক্রবার রাজধানীর মালিবাগ, মালিবাগ, হাজীপাড়া, খিলগাঁও, শান্তিনগর, সেগুনবাগিচা, কারওয়ানবাজার, রামপুরাসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, শীতের সবজি কপি, শিম, মুলা, শালগম, লাউয়ের পাশাপাশি পালং শাক, লাল শাক, মুলা শাক বাজারে ভরপুর। এর মধ্যে ফুলকপির সরবরাহ সব বাজারে দেখা গেছে সব থেকে বেশি।

কারওয়ানবাজারে দেখা যায়, ব্যবসায়ীরা ১০০ পিস ফুলকপি আকার ও মানভেদে বিক্রি করছেন ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল হাজার টাকার ওপরে। অর্থাৎ কারওয়ান বাজারের পাইকারি বাজারে এখন এক পিস ফুলকপির দাম পড়ছে পাঁচ থেকে সাত টাকা।

তবে বাজারের খুচরা ব্যবসায়ীরা আকার ও মানভেদে প্রতিপিস ফুলকপি বিক্রি করছেন ১০ থেকে ৩০ টাকায়। মো. রফিক নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, এখন যে ফুলকপি ১০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে, এক মাস আগেও এসব ফুলকপির পিস ৫০ টাকার ওপরে বিক্রি হয়েছে।

গত দুই সপ্তাহ ধরেই বাজারে অধিকাংশ সবজির দাম কমেছে। সব থেকে বেশি দাম কমেছে ফুলকপি ও শিমের তবে এ সপ্তাহে শিমের দাম কিছুটা বেড়েছে। গত সপ্তাহে যে শিম ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে এখন তা ৪০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।

গাজর আগের মতোই ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাকা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকা কেজি। আর নতুন আসা কাঁচাটমেটো বিক্রি হচ্ছে ৪০-৬০ টাকা কেজি।

তিনি বলেন, এখন শিম, বেগুন ও লাউয়ের দাম কিছুটা বাড়লেও এটা বেশিদিন স্থায়ী হবে না। কয়েক দিনের মধ্যেই দাম কমে যাবে।

শীতের সবজির পাশাপাশি বাজারে এসেছে শাক পালং। বাজারভেদে এক আটি পালং শাক বিক্রি হচ্ছে ১০-২০ টাকা। লাল ও সবুজ শাক বিক্রি হচ্ছে ৫-১০ টাকা আটি। লাউ শাক পাওয়া যাচ্ছে ২০-৩০ টাকায়। ১০-২০ টাকা আটি পাওয়া যাচ্ছে পুঁইশাক।

আগের সপ্তাহের মতো বাজার ও মানভেদে এক পোয়া কাঁচা মরিচ (২৫০ গ্রাম) বিক্রি হচ্ছে ১০-১৫ টাকা। দেশি পেঁয়াজের কেজিতে ৩৫-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আমদানি করা পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকা কেজি দরে।

দাম অপরিবর্তিত রয়েছে বয়লার মুরগি, গরু ও খাসির মাংস এবং মাছের দাম। বয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৪০ টাকা কেজি। গরুর মাংস ৪৮০-৫০০ টাকা এবং খাসির মাংস ৬৫০-৭০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

প্রতিটি বাজারেই ইলিশ মাছ ভরপুর। ৬০০-৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৭০০ টাকা। আর পিস বিক্রি হচ্ছে ৪৫০-৫০০ টাকায়। এক কেজি সাইজের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০০-১০০০ টাকা পিস। আর ছোট আকারের ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৫০০ টাকা।

রুই মাছ বাজারভেদে বিক্রি হচ্ছে ২৫০-৪০০ টাকা কেজি। পাবদা মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৫০০ টাকা কেজি। শিং মাছ ৩০০-৫০০ টাকা, তেলাপিয়া ১২০-১৬০ টাকা, পাঙ্গাস ১২০-১৫০ টাকা, সরপুঁটি ১৫০-২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

ফেমাসনিউজ২৪.কম/আরআই/আরবি