logo

শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১ | ১ কার্তিক, ১৪২৮

header-ad

দোকান খোলা থাকলেও হতাশ তালতলা মার্কেটের ব্যবসায়ীরা

হাবিবুর রহমান বাবু | আপডেট: ১৪ মে ২০২০

খিলগাঁও তালতলা মার্কেটের মূল ফটক। ভেতরে লাইনে দাঁড়িয়ে প্রবেশ করছে ক্রেতারা
ভয়াবহ করোনাভাইরাসের কারণে বেশ কিছুদিন বন্ধ থাকার পর গত ১০ মে থেকে স্বল্পপরিসরে মার্কেট খোলার অনুমতি দিয়েছে সরকার।

সরকারের অনুমতির পরেও দেশের প্রথম সারির শপিংমলগুলোসহ অনেক মার্কেট না খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মালিক কর্তৃপক্ষ। তবে এরই মধ্যে খোলা হয়েছে রাজধানীর বেশকিছু মার্কেট।

সরকারের সিদ্ধান্তের পর সবদিক বিবেচনা করে রাজধানীর খিলগাঁও তালতলা সিটি সুপার মার্কেট খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয় দোকান মালিক সমিতি।

গত ১০ মে থেকে সরকারি নিয়মনীতি মেনে ব্যবসা করছেন তালতলা মার্কেটের ব্যবসায়ীরা এখানকার ব্যবসায়ীরা জানান, মার্কেট খোলা থাকলেও বেচাবিক্রি খুব একটা ভালো না।

তালতলা সিটি সুপার মার্কেট এর কাপড় ব্যবসায়ী মোহাম্মদ শাহেদ বলেন, ঈদের বেশিদিন বাকি না থাকাতে গজ কাপড়ের দোকানগুলো অনেকটা ক্রেতাশূন্য। রেডিমেট কাপড়ের দোকানগুলোতে মোটামুটি বিক্রি হচ্ছে। তবে ছোটদের ড্রেসের বিক্রি কিছুটা ভালো।

এখানকার আরেক ব্যবসায়ী মাসুদ রানা জানান, তুলনামূলক মার্কেটে কাস্টমার একেবারেই কম, করোনাভাইরাস আতঙ্কে অনেকেই বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না। তবে মার্কেটের ব্যবসায়ী ও কাস্টমারের নিরাপত্তার বিষয়টি চিন্তা করে মার্কেট কর্তৃপক্ষ কিছুক্ষণ পরপরই পুরো মার্কেটে জীবাণুনাশক ছিটাচ্ছেন। মার্কেটের মূল ফটকে রয়েছে জীবাণুনাশক কক্ষ।

মার্কেট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও সচেতনতার সাথে কেনাকাটা করার জন্য মাইকে ঘোষণা দিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান মার্কেট কর্তৃপক্ষ।

তবে এখন মার্কেটে কাস্টমার কম থাকলেও ঈদের আগে বেচাবিক্রি কিছুটা ভালো হওয়ার আশা প্রকাশ করেন এখানকার ব্যবসায়ীরা।