logo

রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭ | ৩ পৌষ, ১৪২৪

header-ad

জ‌বি‌তে ছাত্রলীগ কর্মীকে কুপিয়ে জখম

এফ. অার. বিপুল, জ‌বি | আপডেট: ২৬ অক্টোবর ২০১৭

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি গ্রুপের কর্মী মিথুন বাড়ইকে কুপিয়ে যখম করার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রুপের কর্মী তৌহিদুল ইসলাম শান্তর বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রণী ব্যাংকের নিচে এ ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মিথুন বাড়ই বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের ১০ম ব্যাচের ছাত্র। একই বিভাগে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকও ছিলেন তিনি। আর হামলাকারী তৌহিদুল ইসলাম শান্ত উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের ১১তম ব্যাচের ছাত্র। এরা দুজনেই শাখা ছাত্রলীগের সভাপতির অনুসারী বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিথুন বাড়ই অগ্রণী ব্যাংকে লাইনে দাঁড়িয়ে টাকা জমা দেয়ার সময় শান্তর সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। বাকবিতাণ্ডার এক পর্যায়ে মিথুন শান্তকে চড় মারেন। শান্তও পাল্টা আঘাত হিসেবে সঙ্গে থাকা খুর দিয়ে মিথুনের ডান বাহুতে আঘাত ক‌রে পেছনের গেট দিয়ে পালিয়ে যান।

এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা প্রক্টরিয়াল বডিকে জানালে সহকারী প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্সে করে মিথুনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তৌহিদুল ইসলাম শান্ত ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমার এক আপু ব্যাংকের লাইনে দাঁড়িয়ে টাকা দিচ্ছিলেন। মিথুন বাড়ই তার সাথে কথা কাটাকাটি করেন। আমি মিথুনকে থামতে বলি। সে আমাকে ঘুষি মারে। আমার হাতে রড ছিল। রড দিয়ে তার হাতে আঘাত করি। তারপর বড় ভাইদের নির্দেশ মতো চলে আসি।

রাজনীতি করেন কি না জানতে চাইলে শান্ত বলেন, আমি জবি ছাত্রলীগ সভাপতি তরিকুল ভাইয়ের সাথে রাজনীতি করি।

জানতে চাইলে জবি ছাত্রলীগের সভাপতি তরিকুল ইসলাম বলেন, ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার সময় দু’জন সাধারণ শিক্ষার্থীর মধ্যে মারামারির খবর শুনে আমাদের কয়েকজন নেতাকে পাঠাই। তারা আহত মিথুনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। আমি এদের কাউকে চিনি না। আমাদের প্রথম কথা, একজন শিক্ষার্থী কেন অপর একজন শিক্ষার্থীর গায়ে হাত তুলবে? আমরা জবি ছাত্রলীগ কাল বেলা ১২টায় বসে এ বিষয়টি খতিয়ে দেখব। আর যে মেরেছে তাকে তো খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। যে মার খেয়েছে সে হাসপাতালে। একটু সময়তো লাগবে।

শান্তর স্বীকারোক্তির বিষয় স্মরণ করিয়ে দিলে তরিকুল ইসলাম বলেন, আমরা কলা ভবনে ছাত্রদল বিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ করছিলাম ঘটনার সময়। আমার ছাত্রলীগের কর্মী হলে তো তারা আমাদের সঙ্গেই থাকত। এছাড়া মিথুন বা শান্ত নামে তার বা জবি ছাত্রলীগে কোন কর্মী নেই বলেও জানান তরিকুল।

সহকারী প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল বলেন, দুজন শিক্ষার্থীর মধ্যে হাতাহাতির কথা শুনে ব্যাংকের নিচে গেলাম। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখি মিথুন নামের একজন শিক্ষার্থীর হাত দিয়ে অঝোরে রক্ত ঝরছে। তখন তাকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়।

ফেমাসনিউজ২৪.কম/এস/এস