logo

সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৯ আশ্বিন, ১৪২৫

header-ad

কোটা সংস্কার আন্দোলনের ৩ নেতাকে তুলে নেয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০১৮

কোটা সংস্কার আন্দোলনের ৩ নেতাকে তুলে নেয়ার অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ।

তারা হচ্ছেন- পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুর, ফারুক হাসান ও রাশেদ খান। সাদা পোশাকের পুলিশ একটি মাইক্রোবাসে করে তাদের তুলে নিয়ে গেছে বলে পরিষদের নেতারা অভিযোগ করেন।

আজ সোমবার দুপুরে সংগঠনের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন অভিযোগ করেন, সংবাদ সম্মেলন শেষে চানখারপুলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের সামনে থেকে একটি সাদা মাইক্রোবাসে তুলে নেয়া হয় তাদের।

সংগঠনটির নেতারা অভিযোগ করেন- রাজধানীর চাঁনখারপুল এলাকা থেকে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ৩ নেতাকে একটি সাদা মাইক্রোবাসে তুলে নেয়া হয়। তাদের ছেড়ে না দেয়া হলে দেশ অচল করার হুমকিও দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) ওবায়দুর রহমান বলেন, ডিএমপি সদর দফতরে ক্রাইম কনফারেন্স চলছে। কাউকে ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টির সত্যতা সম্পর্কে সঙ্গত কারণে জানাতে পারছি না। পরে জানানো হবে।

আজ সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সংবাদ সম্মেলন করেন আন্দোলনকারীরা। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন নুরুল হক নুর, যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান ও ফারুক হাসান।

দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের বিষয়েও আপত্তি তোলা হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে। ‘কোটা আন্দোলনের সেই চার নেতার একজন শিবিরের সক্রিয় কর্মী’শিরোনামের ওই প্রতিবেদনের বিষয়ে বক্তরা বলেন, ‘ইত্তেফাক বিকেল ৫টার মধ্যে ক্ষমা না চাইলে কাল থেকে সকল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সমাজ পত্রিকাটি বর্জন করবে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, একটি কুচক্রীমহল আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। প্রধানমন্ত্রী যখন ছাত্র সমাজের ক্ষোভের কথা বুঝতে পেরে দাবি মেনে নিয়েছেন তখন একটি মহল এটি বানচালের চেষ্টা করছে।

উল্লেখ্য, গত ৮ এপ্রিল থেকে পাঁচ দিন ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের প্রায় সব পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করেন। পরে ১২ এপ্রিল জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কোটা পদ্ধতি বাতিল ঘোষণা করে সব চাকরিতে শতভাগ মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পর শিক্ষার্থীরা আন্দোলন স্থগিত করার ঘোষণা দেন।

এ আন্দোলন ঘিরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে হামলা, গাড়ি পোড়ানো ও পুলিশের ওয়াকিটকি ছিনতাইয়ের অভিযোগে চারটি মামলা করা হয়।

ফেমাসনিউজ২৪.কম/আরআই/আরবি