logo

বুধবার, ২৩ মে ২০১৮ | ৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫

header-ad

'প্র‌তি দশজনে একজন থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত'

এফ. আর. বিপুল, জবি প্রতিনিধি | আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০১৮

‘জনসচেতনতা গড়ে তুলুন, থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ করুন’-এই শ্লোগানকে সামনে রেখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ‘থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ বিষয়ক’ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় 'প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান' বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অথিতির বক্তব্যে জ‌বি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, প্রতি দশজন মানুষের মধ্যে প্রায় একজন থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত। আর সারা পৃথিবীতে প্রায় আঠাশ কোটি মানুষ কোন না কোনভাবে এই রোগে আক্রান্ত। বংশগত ও উত্তরাধিকার সূত্রে এই রোগের সূত্রপাত হয়। এই রোগের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। আমাদের পরবর্তী বংশধরদের জন্য সতর্ক হতে হবে। নির্ধারিত সময়ে উপযুক্ত চিকিৎসা করা গেলে অনেক জীবন বেঁচে যাবে এবং আর্থিক সাশ্রয় ঘটবে।

সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. সাইয়াদ সালেহীন কাদরী থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে করণীয় বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আলোকপাত করেন। এসময় ড. কাদরী থ্যালাসেমিয়ার বাহক কারা, বাংলাদেশে এর প্রকোপ ও প্রভাব এবং এই রোগ হতে কিভাবে মুক্তি পাওয়া যাবে ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।

জবির প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. লাইসা আহমদ লিসার সভাপতিত্বে ও সেমিনার আয়োজক কমিটির আহবায়ক ও প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য প্রদান করেন জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. কায়সার মাননূর ও বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাজ্জাদুল ইসলাম।

সেমিনারে মূল বক্তব্য শেষে ড. কাদরী থ্যালাসেমিয়া রোগ সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। এসময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনার শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের নিচতলায় বিনামূল্যে থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক নির্ণয় কর্মসূচি পালিত হয়।

ফেমাসনিউজ২৪/এফআরবি/কেআর