logo

শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮ | ৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫

header-ad

অভিভাবকরা নিশ্চিন্তে আস্থা রাখতে পারেন : সবুর খান

মো. রিয়াল উদ্দিন | আপডেট: ১৯ অক্টোবর ২০১৮

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ। এটি বাংলাদেশের বেসরকারি পর্যায়ে উচ্চশিক্ষাদানকারী একটি প্রতিষ্ঠান। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট ১৯৯২ (২) অনুযায়ী বাংলাদেশের রাজধানী শুক্রবাদ (ধানমন্ডি) এলাকায় ২০০২ সালের ২৪ জানুয়ারি এ বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়টির সুবিশাল স্থায়ী ক্যাম্পাস রয়েছে আশুলিয়ায়।

উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠার জন্য জাতিসংঘের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির। এ বিশ্ববিদ্যালয়টি বাংলাদেশের আরো ৪টি বিশ্ববিদ্যালয়সহ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটির সদস্য। ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ ইউনিভার্সিটির সদস্য পদ লাভ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম এবং চেয়ারম্যান এম সবুর খান।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের স্থায়ী ক্যাম্পাস আশুলিয়ায় রয়েছে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সব ধরনের সুবিধা। এখানে রয়েছে বড় আকারের ক্রিকেট খেলার মাঠ, যেখানে বিভিন্ন সময় অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিকেট টিম এবং আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। ক্যাম্পাসে ছাত্রদের জন্য রয়েছে হোস্টেল সুবিধা। ছাত্রছাত্রীদের ইন্টারনেট প্রদান করার জন্য এখানে রয়েছে সার্বক্ষণিক ফ্রি-ওয়াইফাই সুবিধা, রয়েছে গলফ খেলার জন্য গলফ মাঠ। বাস্কেট বল কোট, গোসলের জন্য সুইমিং পুল (নির্মাণাধীন)। এখানে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির সর্ববৃহৎ অডিটোরিয়াম।

এছাড়াও ঢাকার উত্তরায় রয়েছে আরও একটি ক্যাম্পাস। বিশ্ববিদ্যালয়টির ধানমন্ডি, আশুলিয়া ও উত্তরা ক্যাম্পাসে বর্তমানে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ৫টি অনুষদের অধীনে ২৩টি বিভাগ রয়েছে।

সায়েন্স অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি অনুষদ : কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, এনভারমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, মাল্টিমিডিয়া অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি বিভাগ, ন্যাচেরাল সায়েন্স বিভাগ।

বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিক্স অনুষদ : বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগ, কমার্স বিভাগ, রিয়াল এস্টেট বিভাগ, ট্যুরিজম অ্যান্ড হস্পিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, ইন্ট্রাপ্রেনারসিপ ডেভেলপমেন্ট বিভাগ (বাংলাদেশে প্রথম)।

ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ : ইলেক্ট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগ, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, আর্কিটেকচার বিভাগ, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ।

এলাইড হেলথ সায়েন্স অনুষদ : ফার্মেসি বিভাগ, নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, পাবলিক হেলথ বিভাগ, লাইফ সায়েন্স বিভাগ, জেনেটিক্স অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ

হিউমেনেটিস অ্যান্ড সোস্যাল সায়েন্স অনুষদ : ইংরেজি বিভাগ, আইন বিভাগ, সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগ।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বছরে তিনবার ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। স্প্রিং, সামার এবং ফল সেমিস্টারে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করা হয়। দূরে অবস্থানরত ছাত্রছাত্রীদের কথা বিবেচনা করে অনলাইনে ভর্তির ব্যবস্থা আছে। তাছাড়া সরাসরি ক্যাম্পাসে এসেও ভর্তি হওয়া যায়। অন্যান্য সুযোগ সুবিধার মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার ল্যাব, ইলেকট্রিক ল্যাব, মাল্টিমিডিয়া ল্যাব এবং সুবিশাল লাইব্রেরি।

বিশ্ববিদ্যালয়টির চেয়ারম্যান এম সবুর খান ফেমাসনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) ছাত্র-ছাত্রীদের আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা দিতে চেষ্টা করে। সে জন্য আছে দুইশ'র বেশি শ্রেণিকক্ষ। এগুলোর পাঁচটি ডিজিটালাইজড। বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট পাঁচটি অনুষদ আছে। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য চারটি হল আছে।

তিনি বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য সবরকম সুযোগ সুবিধা রেখেছি। শুধু দেশেরই নয় বিদেশ থেকেও শিক্ষার্থীরা আমাদের এখানে পড়ছে। একইসঙ্গে আমাদের এখান থেকেও স্কলারশিপ নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দেশে যাচ্ছে।

গরিব এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুবিধা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রাইভেট হলেও গরিব শিক্ষার্থীদের ওয়েভার দেয়া হয়। এতে করে শিক্ষার্থীরা সেমিস্টার ফি না দিয়েই পড়াশুনা করতে পারছে। প্রতি সেমিস্টারে শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ দেয়া হয়।

একজন অভিভাবক কেন তার সন্তানকে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াবে এমন প্রশ্নের জবাবে এম সবুর খান বলেন, দেশের অন্যান্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের গুণগত মান উন্নত। পড়াশুনার মান ভালো একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের সঠিক শিক্ষা দিয়ে আগামী জীবনের দিশারা দেয়া হয়। একজন অভিভাবক আমাদের প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখলেই বুঝতে পারবেন কেন তিনি এখানে তার সন্তানকে পড়াবে। একজন শিক্ষার্থীকে গড়ে তুলতে সব রকম সহযোগিতা করা হয়। নিশ্চিন্তে একজন অভিভাবক ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটর উপর আস্থা রাখতে পারেন।
ফেমাসনিউজ২৪/এফএম/এমএম