logo

বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮ | ৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫

header-ad

ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা নতুন করে নিতে ছাত্রলীগের স্মারকলিপি

মো. মামুনুর রশিদ তৌসিফ, ঢাবি প্রতিনিধি | আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০১৮

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে পুনরায় নেয়াসহ চারদফা দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ।

মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সামনে থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থী উপাচার্যের কার্যালয় পর্যন্ত মৌন পদযাত্রা করে তারা উপাচার্য কার্যালয় যান ও পরে স্মারকলিপি দেন।

স্মারকলিপি দেয়ার সময় ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরিন আহমদ, প্রো উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সামাদ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রাব্বানী।

এ সময় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন সেখানে যোগ দেন এবং ছাত্রলীগের পক্ষে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতির বিবেক। এখানে পড়ার জন্য সবাই অনেক স্বপ্ন নিয়ে প্রস্তুতি নেয়। আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এখানে এসেছি। আমরা চাই মেধাবীরা যেন বঞ্চিত না হয়। যেখানে প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ পাওয়া গেছে, প্রশাসনও স্বীকার করেছে, মিডিয়াতেও এসেছে। তাই আমরা চাই আবার পরীক্ষা নেয়া হোক। যদি সম্ভব না হয়, তবে যারা পাস করেছে তাদেরটা নেয়া হোক।

পরে উপাচার্য বরাবর চারদফা দাবিসহ স্মারকলিপি পাঠ করেন ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস।


দাবিগুলো হলো:
১. যাচাই-বাছাই করে পুনরায় পরীক্ষা নেয়া অথবা শুধুমাত্র উত্তীর্ণদের নিয়ে বিশেষ পরীক্ষার ব্যবস্থা করা।

২. প্রশ্নফাঁস বা ডিজিটাল জালিয়াতির সাথে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

৩. অতীতে যারা প্রশ্নফাঁস করে ভর্তি হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

৪. ভর্তি পরিক্ষা পদ্ধতি আধুনিক ও যুগোপযোগী করে তুলতে হবে।

স্মারকলিপি গ্রহণ করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো আখতারুজ্জামান বলেন, এটি ছাত্রলীগের একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমরাও চাই প্রশ্নফাঁসের মূলোৎপাটন করতে। তিনি আরো বলেন, আমরা আমাদের মতো আগাচ্ছি। মঙ্গলবার বিকেলে ডিন’স কমিটির মিটিং আছে। আমি সেখানে আপনাদের দাবি উত্থাপন করব। আশা করি একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসবে।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১২ অক্টোবর) ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এটা নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি একজন ভর্তিচ্ছুর মোবাইলে সকাল ৯টা ১৭ মিনিটে প্রশ্ন পাওয়ার প্রমাণ পায়। তা সত্ত্বেও পরীক্ষা বাতিল না করে মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) ফলপ্রকাশ করা হয়। দিন থেকে বিভিন্ন সংগঠন ঘ ইউনিটের পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করতে থাকে, যা এখনো চলছে।
ফেমাসনিউজ২৪/ কেআর/ এস