logo

শুক্রবার, ১৭ আগস্ট ২০১৮ | ১ ভাদ্র, ১৪২৫

header-ad

১০ ছাত্রীর ভয়ঙ্কর যুক্তি, সহজেই বাঁচতেন টাইটানিকের নায়ক! (ভিডিও)

বিনোদন ডেস্ক | আপডেট: ১২ জুন ২০১৮

একটি গাণিতিক সূত্র চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে বিশ্বে।

অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেইডের ওয়েস্টমিনস্টার স্কুলের ১০ ছাত্রী অঙ্কের হিসাব দাখিল করে জানায়, ‘টাইটানিকের জ্যাককে মরতে হতো না। তাকে বাঁচানো যেত।’

১৯৯৭ সালের হলিউড এপিক ‘টাইটানিক’ মুক্তি পায়। এরপর থেকে জীবন অনেক বছর পার হয়ে গেলেও ‘টাইটানিক’ কিন্তু আজও ভেসে রয়েছে। চলমান রয়েছে ছবিটিকে নিয়ে বিতর্কও। ২০১৭-এর গোড়ার দিকে অনেকেই বলতে শুরু করেন, এ ছবির নায়ক জ্যাককে কোনোভাবেই মরতে হতো না।

নায়িকা রোজের সঙ্গে তার দিব্বি মিলন ঘটতে পারত। পরিচালক ক্যামেরন চেয়েছিলেন বলেই জ্যাককে মরতে হয়েছে। ছবির অন্তিমে টাইটানিক ডুবে যাওয়ার পরে একটা ভাঙা দরজাকে ভর করে জ্যাক ও রোজ ভাসছিলেন অন্ধকার হিম সমুদ্রে।

রোজ ছিলেন দরজাটায় ভর করে আর জ্যাক জলে সাঁতরে ভাসিয়ে রাখছিলেন রোজসহ সেই দরজাটাকে। এক সময়ে গভীর ঠাণ্ডায়, শারীরিক অবসন্নতায় জ্যাকের মুঠো শিথিল হয়ে আসে। ক্রমে সে ডুবে যায় অতলান্তিকের গহীনে। রচিত হয় চিরবিচ্ছেদের এক অনুপম আখ্যান। কিন্তু, কমবেশি দুই প্রজন্মের দর্শক ২০১৭-এর গোড়ার দিকে বিষয়টি নিয়ে কথা তোলেন। তারা বলেন, জ্যাক অনায়াসে ভাসমান দরজাটায় ভর করে ভেসে থাকতে পারত। সে ও রোজ দুজনেই বেঁচে যেত।

তর্ক এমন এক জায়গায় পৌঁছায়- স্বয়ং পরিচালককে এসে নামতে হয় বিতর্কের কেন্দ্রে।

তিনি জানান, ওই দরজার পাটাতনে যদি জ্যাক ও রোজ দুজনেই চড়ে বসত, তা হলে নির্ঘাত ওই পাটাতন ডুবে যেত। এবং দুজনের একজনও বাঁচত না। আর রোজ না বেঁচে থাকলে চিত্রনাট্যটাই সম্ভব হতো না। তার স্মৃতি থেকেই তো নির্মিত হয় এ ছবির কাহিনী। ব্যাপার তখনকার মতো মিটে গেলেও পরে বছরের শেষে আবার এ বিতর্ককে জাগিয়ে তুলল যারা, তারা একান্তভাবেই এ প্রজন্মের।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য মিরর’জানায়, অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডেলেইডের ওয়েস্টমিনস্টার স্কুলের ১০ ছাত্রী অঙ্কের হিসাব দাখিল করে জানায়, জ্যাককে রীতিমতো বাঁচানো যেত, তাকে মরতে হতো না।

এই ছাত্রীদের বক্তব্য— জ্যাক আর রোজ যদি তাদের শরীরে লাইফ জ্যাকেট চড়িয়ে পাটাতন ধরে ভেসে থাকত, তা হলে কাওকেই মরতে হতো না।

এ ১০ ছাত্রীর দলটি অক্টোবরে ন্যাশনাল ম্যাথস ট্যালেন্ট কোয়েস্ট-এ অংশ নেয়।

তারা জানায়, দরজার প্লবতাকে হিসেব করে তারা দেখেছে, যদি তার ওপরে লোক চড়ে বসে, তবে তার ভেসে থাকার ক্ষমতা কমে না। বরং তা বেড়ে যায়। সুতরাং, জ্যাক ও রোজ দুজনেই বেঁচে থাকত বহাল তবিয়াতে। আর ছবিতে দেখা যায়, জ্যাক তলিয়ে যাওয়ার খানিক পরই রোজকে উদ্ধার করে একটি লাইফ বোট। সুতরাং জ্যাক পাটাতনে থাকলে সেও উদ্ধার পেত। ক্যামেরন চাননি বলেই তাকে মরতে হয়। এহেন অকাট্য গণিতের সামনে পরিচালক ক্যামেরন কী বলবেন, সেটা জানা নেই।

জেমস ক্যামেরন পরিচালিত এই ব্লকবাস্টারটি দুই দশক অতিক্রম করেও আজও তুমুল জনপ্রিয়। একেবারে নতুন প্রজন্মের ছেলেময়েরাও এক বা একাধিক বার দেখেছে ‘টাইটানিক’। কিংবদন্তির সেই জাহাজে চড়ে স্বপ্নে পাড়ি দিয়েছে কল্পলোকে।

ফেমাসনিউজ২৪.কম/আরআই/আরবি