logo

বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ | ২৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫

header-ad

‘আমি মারলে ঐশ্বরিয়া বেঁচে থাকতে পারত না’

বিনোদন ডেস্ক | আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০১৮

বলিউডের ভাইজান সালমান খান ও অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই। দুজনের মধ্যে একসময় প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরবর্তীতে ওই সম্পর্ক তিতু হয়ে আর টিকেনি। এরপর ঐশ্বরিয়া বিয়ে করলেও বলিউডের মোস্ট ইলিজিবল ব্যাচেলর হয়ে থেকে যান সালমান।

সম্প্রতি বলিউড ভাইজানের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে ঐশ্বরিয়াকে মারধরের প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হয় সালমানকে। উত্তরে সালমান বলেন, হ্যাঁ আমি জানি সেই নারী বলেছেন, আমি মেরেছি। এই প্রশ্নটা বহুদিন আগে প্রভু চাওলা নামে এক সাংবাদিক আমায় করেছিলেন। আমি তখন একটি টেবিলে জোরে ঘুষি মারি আর টেবিলটি ভেঙে যায়।

দাবাং খান আরও বলেন, আমি কাউকে মারছি মানে আমি খুব রেগে রয়েছি। তখন আমি আমার শরীরে সব শক্তি দিয়ে তাকে মারব।

এমন যুক্তি দিয়ে ভাইজান বলেন, আমি মনে করি না; আমি মারলে ও (ঐশ্বরিয়া) বেঁচে থাকতে পারত।

সালমানের এই পুরনো ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় নতুন করে বিতর্ক শুরু হলো।

অপরদিকে ‘মিটু’ আন্দোলনের জেরে বলিউডে সমালোচনার ঝড় বইছে। নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে তনুশ্রী দত্তর যৌন হেনস্তার অভিযোগ আনার পর, রজত কাপুর, আলোকনাথ, বিকাশ বেহল ও সঙ্গীতশিল্পী অভিজিৎ ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এবার ‘মিটু’ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন ঐশ্বরিয়া রাই।

‘মিটু’ আন্দোলন শুরু হওয়ার পর অনেকেই ভেবেছিলেন সালমান খানের বিরুদ্ধে ঐশ্বরিয়াকে অত্যাচারের প্রসঙ্গ আরও একবার খবরে উঠে আসবে।

সম্প্রতি একটি ইভেন্টে ঐশ্বরিয়াকে ‘মিটু’ প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। বলেন, বিশ্বের যে কোনো নারীই এমন ঘটনার শিকার হলে ‘মিটু’ এর মাধ্যমে সবার কাছে পৌঁছে যাবে। প্রতিবাদ শুরু হবে।

নারীরা যে চুপ করে না থেকে তাদের সঙ্গে ঘটা এ ধরনের ঘটনা সবার সামনে তুলে ধরছেন তার জন্য খুশি ঐশ্বরিয়া। তবে সালমানের কথা নতুন করে আর তোলেননি সাবেক এ বিশ্বসুন্দরী।

উল্লেখ্য, ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী- ‘হাম দিল দে চুকে সানম’ ছবির সময় থেকেই ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান সালমান খান। ঐশ্বরিয়াকে ওই সময় অসম্ভব রকম ভালোবাসতেন সালমান খান। আর সেই কারণেই ‘হাম দিল দে চুকে সানম’-এর একেবারে ‘হ্যাপি এন্ডিং’ দাবি করেছিলেন বলিউড ‘ভাইজান।’
ফেমাসনিউজ২৪/কেআর/এস