logo

শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮ | ৫ শ্রাবণ, ১৪২৫

header-ad

ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রত্যাশা চৈতীর

মো. রিয়াল উদ্দিন | আপডেট: ০৬ মার্চ ২০১৮

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলনকে সামনে রেখে উৎসাহ এবং উদ্দীপনায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের স্বপ্ন দেখছেন প্রত্যাশীরা। সম্মেলনের মাধ্যমে দেশের প্রাচীনতম ও ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠনটির নেতৃত্বে কারা আসছেন তা নিয়েও জল্পনা-কল্পনা চলছে সব মহলে। এবারের সম্মেলনে থাকছে নতুন চমক। দীর্ঘ ৭০ বছরের ইতিহাসে যা হয়নি তাই হতে চলেছে এবার। সংগঠনটির ২৮টি সম্মেলনের মাধ্যমে ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায়নি কোনো নারীকে। জানা গেছে, এবারই প্রথম শীর্ষ পদে নারী নেতৃত্ব নিয়ে ভাবছেন আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সব ক্ষেত্রেই নারীদের অগ্রাধিকার দিয়েছে। তবে ছাত্রলীগের দীর্ঘদিনের ইতিহাসে নারী নেতৃত্ব দিয়ে গণতন্ত্রের যথার্থ প্রয়াস ঘটাতে চায়। মেধা, যোগ্যতা, আস্থাভাজন, নেতৃত্বগুণ থাকলে একজন নারীও বৃহৎ এ সংগঠনটির শীর্ষ পদে আসতে পারে তারই প্রমাণ রাখতে চাচ্ছে আগামী সম্মেলনে।

ছাত্রলীগের শীর্ষ পদে নারী নেতৃত্বে আসতে প্রত্যাশা অনেকেরই। মেধা, যোগ্যতা, কর্মী-বান্ধব, নেতৃত্বগুণসম্পন্ন, উদ্যোমী এবং বর্তমান কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি চৈতালী হালদার চৈতীরও এমন প্রত্যাশা। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের শীর্ষ পদে লড়বেন তিনি।

চৈতালী হালদার চৈতীর জন্ম খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায়। বাবা শিক্ষক, রাজনৈতিক হাতেখড়ি মায়ের হাত ধরে। তার মা খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্য। দাদু ১৯৭২-এ বঙ্গবন্ধুর সময় ইউনিয়ন পরিষদ কাঠামোর রিলিফ চেয়ারম্যান ছিলেন।

ছাত্রলীগের এই নারী নেত্রীর পড়ালেখা শুরু খুলনাতে। খুলনা থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে স্নাতক শেষ করেন। বর্তমানে তিনি স্নাতকোত্তরে অধ্যয়নরত। স্কুলজীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতিতে পদার্পণ তার। কলেজ, উপজেলা এবং বিশ্ববিদ্যালয় হলে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন তিনি। ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। কেন্দ্রীয় সব কর্মসূচিতেই অংশ নিয়ে জোরালো ভূমিকা রেখেছেন এই নেত্রী।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নীতি এবং আদর্শ বুকে ধারণ করে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক জীবনের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করে বর্তমান রাজনীতিতে নারীর ক্ষমতায়ন এবং দলে নারীদের মূল্যায়নসহ নানা বিষয় নিয়ে কাজ করতে চান চৈতালী হালদার চৈতী।

ছাত্রলীগ নিয়ে স্বপ্নের কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছাত্রলীগ নিয়ে আমার অনেক স্বপ্ন। ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেছেন আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার আদর্শ এবং নিজের হাতে গড়া এ সংগঠন। ছাত্রলীগের ইতিহাসের সাথে বাংলাদেশের ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে প্রতিটি আন্দোলনেই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই জাতি যখনই কোনো বিপদে পড়েছে, জাতির মুক্তির আন্দোলনে সর্বাগ্রে এগিয়ে এসেছে। এরকমের একটা সংগঠনের কর্মী হতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করি।

'আমি চাই- বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সব তরুণ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা যেমন- শোসনমুক্ত সমাজ গঠন, যেকোনো মুক্তি আন্দোলনের ক্ষেত্রে ছাত্রদের অগ্রণী ভূমিকা, সুশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া এবং সোনার বাংলা গড়ে তোলার যে স্বপ্ন, সে স্বপ্ন যেন বর্তমান ছাত্রসমাজের মধ্যেও লালিত হয়, বঙ্গবন্ধু চেতনা যেন তাদের মাঝে অধিষ্ঠ হয় এবং প্রত্যেকটি ঘরে, প্রত্যেকটি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশে যেন ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিটি মানুষই যেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের মানুষে রূপান্তরিত হয়।'

বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষেরও দীর্ঘদিন পর ছাত্রলীগের কাউন্সিলকে কীভাবে দেখছেন এমন প্রশ্নের জবাবে চৈতালী বলেন, আমি সব সময়ই গঠনতন্ত্রের পক্ষে। গঠনতন্ত্রে যেমন বলা আছে প্রতি দুই বছর অন্তর অন্তর ছাত্রলীগের কমিটি হবে। এ সময়ের মধ্যেই উচিত সম্মেলন দেয়া। যেহেতু দেশের পরিস্থিতি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম ছিল, সে প্রেক্ষাপটে হয়তো সব সময় সব করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। আমাদের প্রধানমন্ত্রী, আমাদের সব আশা ভরসা, আমাদের প্রেরণার মূল উৎস শেখ হাসিনা। তিনি চেয়েছেন গঠনতন্ত্র অনুযায়ীই ছাত্রলীগের কমিটি দুই বছরে মধ্যেই যেন হয়। দুই বছর শেষ হবার পরই কিন্তু আলোচনা শুরু হয়েছিল এবং অনেকে দাবিও করেছিল। এখানে বয়সেরও বিষয় থাকে। কারণ সবারই তো ইচ্ছে থাকে নেতৃত্বে আসার। আর ছাত্রলীগ এমন একটি সংগঠন যেখানে নেতৃত্বের অভাব নেই। অনেক বেশি মেধাবী নেতৃত্ব এখানে তৈরি হয়। এবার কিছুটা বিলম্ব হয়েছে, তবে আশা করছি- আগামীতে গঠনতন্ত্র অনুযায়ীই সম্মেলন হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে চৈতী
ছাত্রলীগে তার অবদান সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি জন্মগতভাবেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। স্বাধীনতার পক্ষের যে চেতনা, মুক্তিযুদ্ধের যে চেতনা আমি সেটি মনে প্রাণে ধারণ করেছি। আমাদের পরিবার যেহেতু আওয়ামী পরিবার; সেহেতু আমি ছোটবেলা থেকে আওয়ামী পরিবেশের মধ্য দিয়ে বড় হয়েছি, আমি তখন থেকেই জেনেছি আওয়ামী লীগ দেশের জন্য কাজ করে এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সবকিছুতেই অবদান আছে আওয়ামী লীগের। আমি ছোটবেলা থেকেই বঙ্গবন্ধুকে ধারণ করেছি। আমি তো বঙ্গবন্ধুকে দেখিনি, কিন্তু দেশরত্নকে দেখেছি। দেশরত্নকে দেখেই আমি বঙ্গবন্ধুকে দেখার স্বাদ পেয়েছি। বঙ্গবন্ধুর মধ্যে যে আদর্শ ছিল সে আদর্শ দেশরত্ন বয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আজকে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে রোল মডেল, ডিজিটালাইজেশন, খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ, কৃষিক্ষেত্রে, যোগাযোগ ব্যবস্থা সব ক্ষেত্রেই তার অবদানেই হয়েছে। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ভেতরে লালন করি এবং শেখ হাসিনাকে আমার রোল মডেল হিসেবে গ্রহণ করেছি। আমাদের অনেক সৌভাগ্য যে, আমরা দেশরত্নের মত একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি।

আগামী সম্মেলনে প্রত্যাশিত পদ নিয়ে চৈতালী বলেন, আমি বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি পদে নেতাকর্মীদের জন্য কাজ করছি। আমাকে যদি সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া হয়, আমি দায়িত্বশীলতার সাথে দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করবো।

সহ-সভাপতি থাকাবস্থায় কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি সহ-সভাপতি পদে থেকে দেশরত্নের ঘোষিত কর্মসূচিগুলোতে অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছি এবং সেগুলোর সাথে সম্পৃক্ত থেকেছি। আমি আমার জায়গা থেকে একবিন্দু পরিমাণও সংগঠনের কোনো কাজের বাইরে থাকিনি। সব সময় সংগঠনের সাথে নিজেকে নিয়জিত রেখেছি। আমাদের মেয়েদের যদি কখনো কোনোরকম অসুবিধা হয়েছে কেউ আমাকে জানালে বা আমার চোখের সামনে হলে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ করেছি এবং পাশে দাঁড়িয়েছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে সিটের সমস্যা হলে শিক্ষকদের অনুরোধ করে ভাই-বোনদের সহযোগিতা করেছি। অনেক ভাই-বোন অসুস্থ হলে তাদের সহযোগিতা করেছি। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথেও আমার সম্পর্ক খুবই ভালো। ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা পর্যন্ত আমাকে ফোন করে, আমার সাথে দেখা করে সমস্যার কথা জানায়। তারাও বলে, আমার নেতৃত্ব তারা চায়। তারা সব সময়ই আমার পাশে আছে এবং সব কাজেই সহযোগিতা করবেন।

সংগঠন থেকে কেমন অনুপ্রেরণা বা সহযোগিতা পাচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে এই নেত্রী বলেন, আমি শীর্ষ পদে আসতে চাই, এটা যেন অনেকের মাঝেই প্রাণের সঞ্চার হয়েছে। কারণ তারা চায় নারীরা কেন পিছিয়ে থাকবে। যেহেতু ছাত্রলীগ বৃহৎ সংগঠন। এখানে নারীদের অংশগ্রহণও বেশি। এখানে ছেলেমেয়েকে কেউ আলাদা করে দেখে না। এখানে যে যোগ্য এবং আন্তরিক তাকেই নেতৃত্বে দেখতে চায়। আমি সব সময়ই কর্মী-বান্ধব থাকার চেষ্টা করি। কেউ কোনো সমস্যা নিয়ে আসলে আমি তার কথা শুনি, সমাধান করার চেষ্টা করি। সেজন্য সারা বাংলাদেশের নেতাকর্মীরাই আমার প্রতি অনুরাগী। তারা চায় আমি যেন নেতৃত্বে আসি। নেতৃত্বে না আসলেও তারা সামনের দিনে আমাকে আরও ভালো জায়গায় দেখতে চায়।

আগামী দিনে শীর্ষ পদে নেতৃত্ব আসলে ছাত্রলীগকে নিয়ে নতুনভাবে কি স্বপ্ন দেখবেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি সর্বপ্রথম ছাত্রলীগের মধ্যে শৃঙ্খলার দিক থেকে আরও বেশি শক্তিশালী করার চেষ্টা করবো। ছাত্রলীগ যেন সুশৃঙ্খল হয়ে আরও ইতিবাচক কাজ কীভাবে করতে পারে, ছাত্রদের উন্নয়নে কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে সে বিষয়টি নিয়ে বিশেষভাবে কাজ করবো। সারাদেশে মেয়েদের অন্তর্ভুক্তি কীভাবে আরো বাড়ানো যায় সেক্ষেত্রেও কাজ করবো। এমনিতেও মেয়েদের অন্তর্ভুক্তি আছে, কিন্তু কোথাও মেয়েদের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক করা হয় না। আমি যদি নেতৃত্বে আসি, তবে সে বিষয়টি নিয়েও কাজ করবো।

প্রতিবেদকের সঙ্গে
‌'মেয়ে-ছেলে তুলনা করলে আমরা কিন্তু প্রায় সমানে সমান। অনেক ক্ষেত্রেই ছেলেদের থেকে মেয়েরা এগিয়ে আছে। মেধা, কর্মক্ষেত্রসহ সব ক্ষেত্রেই মেয়েরা এগিয়ে আছে। কোথাও নারীরা পিছিয়ে নেই। তাহলে আমাদের ছাত্রলীগের নেতৃত্বের বেলা কেন নারীরা পিছিয়ে থাকবে? নারীরা যোগ্য, নারীদের ন্যায্য অধিকার দেয়া হলে তারা এগিয়ে আসবে। সেক্ষেত্রে বড় সমাজের বড় পরিবর্তন আসবে। নারী নেতৃত্বে আসা মানে শুধু নেতৃত্ব নয়, সার্বিক সমাজের একটা পরিবর্তন। তখন ন্যায্য অধিকার নিয়ে কথা বলতে পারবে, অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পারবে, নিজের আত্মবিশ্বাস তৈরি হবে। নারী এবং পুরুষ সমানে সমানে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার শক্তিদের ছাত্রলীগে সম্পৃক্ত করা, একইসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কেউ যেন এ সংগঠনে প্রবেশ করতে না পারে সে বিষয়ে খেয়াল রাখবো।'

জাতির পিতাকে যারা জানে, যারা বোঝে তারাই যেন ছাত্রলীগের সৈনিক হয়। এমনিতেই ছাত্রলীগ জাতীয় নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে সেটিকে আরো সুগঠিত, শক্তিশালী এবং সুশৃঙ্খলভাবে নির্বাচনে বিজয়ের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখতে পারে সেদিকটা নিয়ে কাজ করবো। সর্বোপরি তৃণমূলের জন্য কাজ করবো। তৃণমূলে যেন শৃঙ্খলা আরো বেশি থাকে, আরো বেশি সুগঠিত হয় এবং তরুণদের ছাত্রলীগে অন্তর্ভুক্তি করার ক্ষেত্রে আমি বেশি কাজ করতে চাই।'

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ২৫ ও ২৬ জুলাই ছাত্রলীগের ২৮তম সম্মেলন শেষে সাইফুর রহমান সোহাগকে সভাপতি ও এসএম জাকির হোসাইনকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি ঘোষণা করা হয়। দেশের অন্যতম বৃহৎ এই ছাত্র সংগঠনটির গঠনতন্ত্রের ১১(খ) ধারা অনুযায়ী, সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের কার্যকাল দুই বছর। এ সময়ের মধ্যে সম্মেলন করতে হবে। অন্যথায় নির্বাহী সংসদের কার্যকারিতা থাকবে না বলে উল্লেখ রয়েছে।


ফেমাসনিউজ২৪/এফএম/এমএম