logo

সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০১৯ | ৬ কার্তিক, ১৪২৬

header-ad

প্রকৃত শিক্ষায় নজর ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির

মো. রিয়াল উদ্দিন | আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০০০ সালে ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ’ নামে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়। তবে ২০০৩ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি অফিশিয়ালি কার্যক্রম শুরু করে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৯২-এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের গণপ্রজাতন্ত্রী এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ( ইউজিসি) দ্বারা (১৯৯৮ সালে সংশোধিত) অনুমোদিত এবং স্বীকৃত একটি নেতৃস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয়টি সাফল্যের সঙ্গে তার ১৮ বছর আতিক্রম করেছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টির ৩টি অনুষদ, ১১টি বিভাগে মোট ২৪টি প্রোগ্রাম ও পর্যাপ্ত সংখ্যক অভিজ্ঞ শিক্ষক রয়েছে।

এটার ৩টি ক্যাম্পাস রয়েছে। এই ইউনিভার্সিটিতে ‘ডে’ এবং ‘ইভিনিং’ ২টি শিফট চালু আছে। অনার্স বিভাগের জন্য ‘ডে’ শিফটে ক্লাস হয়। মাস্টার্স বিভাগের জন্য ‘ডে’ এবং ‘ইভিনিং’ ইভিনিং দুটি শিফটেই ক্লাস হয়। ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটিতে গ্রেডিং পদ্ধতিতে ফলাফল দেয়া হয়।

ভর্তি প্রক্রিয়া

আবেদন ওয়েবসাইটে (www.wub.edu.bd) থেকে ডাউনলোড করে যথাযথভাবে পূরণ করে জমা দিতে হয়। ভর্তি আবেদন ফরম বিশ্ববিদ্যালয় অফিস থেকেও সংগ্রহ করা যায়।
আবেদন ফরমের মূল্য ৫০০ টাকা। ভর্তি আবেদন পূরণ করে মেইলের মাধ্যমেও পাঠানো যায়।
জমাকৃত আবেদন ফরম যাচাই করার পর আবেনদকারীকে চিঠি বা ই-মেইলের মাধ্যমে জানানো হয়। প্রাথমিক বাছাইয়ে বাদ পড়েছেন- এমন আবেদনকারীকেও চিঠি বা মেইলের মাধ্যমে জানানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য নির্বাচিত আবেদনকারীদের অ্যাডমিশন অফিসে যোগাযোগ করতে হয় এবং ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর শিক্ষার্থীকে ক্লাসের তারিখ ও সময় জানিয়ে দেওয়া হয়।

ভর্তি যোগ্যতা :

ব্যাচেলর অব বিজনেস এ্যাডমিনিস্ট্রেশন

এসএসসি, এইচএসসিতে আলাদাভাবে জিপিএ ২.৫০ বা ২য় বিভাগ অথবা মোট জিপিএ ৬.০০। কিন্তু যে কোনো একটিতে সর্বনিম্ন জিপিএ ২.০০ থাকলেও আবেদন করা যায়। মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের জন্য মোট জিপিএ ৫.০০ থাকতে হয়।

মাস্টার্স অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (রেগুলার)- যে কোনো বিষয়ে স্নাতক, মাস্টার্স অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এক্সিকিউটিভ)-কমার্স, বিজনেস, সায়েন্স/ আর্টস/ মেডিকেল সায়েন্স/ ইঞ্জিনিয়ারিং/ সমমানের যে কোনো বিষয়ে ন্যূনতম ১৪ বছরের শিক্ষাজীবনসহ গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন থাকতে হয় এবং ন্যূনতম ২ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হয়।

মাস্টার্স অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এক্সিকিউটিভ)- ৪ বছরের বিবিএ, এমকম থাকতে হয়। এক্ষেত্রে চাকরির অভিজ্ঞতা আবশ্যক নয়।

মাস্টার্স অব বিজনেস এডুকেশন- স্নাতক (১৪ বছরের শিক্ষাজীবনসহ) এক্ষেত্রে বিজনেস ও টিচিং অভিজ্ঞতা থাকা আবশ্যক নয়।

ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন- ব্যাচেলর অব ট্যুরিজম অ্যান্ড হোটেল ম্যানেজমেন্ট

ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং

কোর্সগুলো : বিএসসি ইন ইইই, সিভিল, মেকাট্রনিকস, সিএসই, সি আই এস, টেক্সটাইল অ্যান্ড আর্কিটেকচার।

যোগ্যতা : এসএসসি, এইচএসসিতে আলাদাভাবে জিপিএ ২.৫০ বা ২য় বিভাগ অথবা মোট জিপিএ ৬.০০। কিন্তু যে কোনো একটি সর্বনিম্ন জিপিএ ২.০০ থাকলেও আবেদন করা যায়। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য মোট জিপিএ ৫.০০ থাকতে হয়।

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংদের জন্য: ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রাম

বি এস সি ইন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং- ইলেকট্রনিক্স, ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ার রেফ্রিজারেশন বা এ সম্পর্কিত যে কোনো বিষয়ে ডিপ্লোমা। বি এস সি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং- সিভিল/ স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বা এ সম্পর্কিত যে কোনো বিষয়ে ডিপ্লোমা এবং আর্কিটেকচারে ডিপ্লোমা।বিএসসি ইন মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং- মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল,ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার রেফ্রিজারেশন, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বা এ সম্পর্কিত বিষয়ে ডিপ্লোমা

বিএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং- কম্পিউটার সায়েন্স, কম্পিউটিং সিআইএস, সিএসই, ইনফরমেশন টেকনোলজি, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বা এ সম্পর্কিত বিষয়ে ডিপ্লোমা।

বিএসসি ইন কম্পিউটিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সায়েন্স- কম্পিউটার সায়েন্স, কম্পিউটিং সিআইএস, সিএসই, ইনফরমেশন টেকনোলজি, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বা এ সম্পর্কিত বিষয়ে ডিপ্লোমা।

বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং- ইঞ্জিনিয়ারিং এর যেকোন শাখায় ডিপ্লোমা। ব্যাচলের অব আর্কিটেকচার- আর্কিটেকচার, সার্ভেইং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ ডিপ্লোমা।

ফ্যাকাল্টি অব আর্টস অ্যান্ড হিউম্যানিটিস

বিএ ইন ইংলিশ- এসএসসি, এইচএসসিতে আলাদাভাবে জিপিএ ২.৫০ বা ২য় বিভাগ অথবা মোট জিপিএ ৬.০০ (সেক্ষেত্রে যে কোনো একটিতে সর্বনিম্ন জিপিএ ২.০০ থাকলেও আবেদন করা যায়)। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য মোট জিপিএ ৫.০০ থাকতে হয়।

এম এ ইন ইংলিশ (ফাইনাল)- ৩-৪ বছরের বিএ ইন ইংলিশে ২য় বিভাগ থাকতে হয়। এম এ ইন ইংলিশ (প্রিলিমিনারি) এবং ফাইনাল)- আর্ট, কমার্স, বিজনেস/ সায়েন্স এ ন্যূনতম ১৪ বছরের শিক্ষাজীবনসহ যে কোনো বিষয়ে স্নাতকে ২য় বিভাগ থাকতে হয়।

ডিপার্টমেন্ট অব ফার্মাসি

ব্যাচেলর অব ফার্মাসি (বি. ফার্মা)- এসএসসি, এইচএসসিতে আলাদাভাবে জিপিএ ২.৫০ বা ২য় বিভাগ অথবা মোট জিপিএ ৬.০০। কিন্তু যে কোনো একটি সর্বনিম্ন জিপিএ ২.০০ থাকলেও আবেদন করা যায়। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য মোট জিপিএ ৫.০০ থাকতে হয়।

ডিপার্টমেন্ট অব ল’

ব্যাচেলর অব ল’- এসএসসি, এইচএসসিতে আলাদাভাবে জিপিএ ২.৫০ বা ২য় বিভাগ অথবা মোট জিপিএ ৬.০০। কিন্তু যে কোনো একটি সর্বনিম্ন জিপিএ ২.০০ থাকলেও আবেদন করা যায়। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য মোট জিপিএ ৫.০০ থাকতে হয়

এলএল বি- ১৪ বছরের শিক্ষাজীবন এবং যে কোনো বিষয়ে স্নাতক থাকতে হয়। মাস্টার্স অব ল’- যে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে এলএলবি ডিগ্রি থাকতে হয়।

খরচ (টাকা)

ডিপার্টমেন্ট অব বিবিএ- ২ লাখ ২৮ হাজার, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট ২ লাখ ৭৬ হাজার, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ৩ লাখ ৫৪ হাজার ২৫০ টাকা, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং ৩ লাখ ২৭ হাজার ১২৫ টাকা, মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং ৩ লাখ ২ হাজার ৭০০ টাকা, এলএলবি (অনার্স) ১ লাখ ৭২ হাজার ৮০০ টাকা, এলএলবি (পাস) ৮০ হাজার, ইংলিশ ১ লাখ ৪৫ হাজার, ফার্মাসি ৩ লাখ ৯৮ হাজার, এমবিএ (এক্সিকিউটিভ) ১ লাখ ১১ হাজার ৬০০, এমবিএ (রেগুলার) ১ লাখ ৫০ হাজার, এলএলএম ৫৮ হাজার, ইংলিশ (ফাইনাল) ৬২ হাজার ২০০, ইংলিশ (প্রিলি) ৯৪ হাজার টাকা

খরচ প্রক্রিয়া

ভর্তির ফরম+ভর্তি ফি= ১৯ হাজার ৯০০ টাকা ভর্তি পরীক্ষা দিতে হয়। বিবিএ প্রোগ্রামের মোট ক্রেডিট ১৬২, সেমিস্টার ১২টি এবং ৪ বছর মেয়াদি। বিবিএ প্রোগ্রামের ক্রেডিট প্রতি খরচ ২ হাজার ৫০০ টাকা। এখানে সেমিস্টারের খরচ দু’ভাবে পরিশোধের ব্যবস্থা রয়েছে- মাসিক ও সেমিস্টার ভিত্তিতে।

মাসিক ভিত্তিতে হলে প্রতি মাসের ১ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে প্রতি মাসের নির্ধারিত খরচ পরিশোধ করতে হয় এবং সেমিস্টার ভিত্তিতে হলে প্রত্যেক সেমিস্টারের রেজিস্ট্রেশনের সময় সম্পূর্ণ সেমিস্টার খরচ পরিশোধ করতে হয়। এভাবে অন্যান্য প্রোগ্রামের খরচ পরিশোধ করতে হয়। সেমিস্টারের খরচ ক্রেডিটের ওপর নির্ভর করে। ক্রেডিট সংখ্যা স্ব-স্ব বিভাগের শিক্ষকগণ নির্ধারণ করে।

শিক্ষা বৃত্তি

জিপিএ ৫.০০ প্রাপ্তরা ১০০%, ৪.৭৫-৪.৯৯ প্রাপ্তরা ৫০%, ৪.৫০-৪.৭৪ প্রাপ্তরা ৫০%, ৪.০০-৪.৪৯ প্রাপ্তরা ২৫% বৃত্তি সুবিধা পায় ১ বছরের জন্য। যাদের সিজিপিএ ন্যূনতম ৩.৭০ থাকে তারা পরের সেমিস্টারে ১০%-৫০% বৃত্তি সুবিধা যাদের সিজিপিএ ন্যূনতম ৪.০০ থাকে তারা ৫০-১০০% বৃত্তি সুবিধা পায়।

অন্যান্য সুবিধা

ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটিতে পড়ালেখার বাইরেও বিভিন্ন খেলায় উৎসাহিত করার জন্য ক্রিকেট, ফুটবল, দাবা, সাইবার গেমস, ইত্যাদি খেলার ব্যবস্থা করে থাকে।

ক্রেডিট ট্রান্সফার

ন্যূনতম ৩.৭৫ থাকলে দেশে ট্রান্সফার কার যায়। বিদেশে ভার্সিটি থেকে ক্রেডিট ট্রান্সফার করা যায় না। কিন্তু শিক্ষার্থী নিজ উদ্যোগে ক্রেডিট ট্রান্সফার করতে পারে।

লাইব্রেরি ব্যবস্থা

এ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব লাইব্রেরি অ্যাডমিশন ভবনের ২য় তলায় অবস্থিত। লাইব্রেরি কার্ডধারীরা বই পেতে পারে এবং বাসায় বই নিয়ে যেতে পারে। এখানে টেক্সট বুক, জার্নালস, রেফারেন্স বুক, রের কালেকশন বুকস ইত্যাদি পাওয়া যায়। লাইব্রেরি সকাল ৮ টা ৩০ মিনিট থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

অন্যান্য

ওয়েব সাইটে রেজাল্ট, বন্ধের ঘোষণা, নোটস, এসাইনমেন্ট ইত্যাদি প্রায় সকল প্রকার তথ্য পাওয়া যায়। এর প্রশাসনিক ভবন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যেই অবস্থিত। সকল প্রকার তথ্য প্রশাসনিক ভবন থেকেই সংগ্রহ করা যায়। এখানে মোট ৮টি ক্লাব রয়েছে। সদস্যপদ আহবান করা হলে ফর্মের মাধ্যমে সদস্য হওয়া যায়।

ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান চৌধুরী বলেন, উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করতে এবং সবার জন্য শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ দিতে প্রতিষ্ঠিত হয় ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টি শিক্ষার গুণগত মান ধরে রেখেছে।

তিনি বলেন, প্রকৃত অর্থে একজন শিক্ষার্থীকে উচ্চশিক্ষা দিয়ে শিক্ষিত করা হয়। আমাদের এখানে শুধু শিক্ষার দিকেই মনোযোগ দেয়া হয়, তা নয়। শিক্ষার পাশাপাশি একজন শিক্ষার্থী কীভাবে ভালো মানুষ হবে সে বিষয়ে সঠিক ধারণা দেয়া হয়। আধুনিক এবং উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থার সব উপকরণ ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটিতে রয়েছে। এতে করে একজন শিক্ষার্থী তার প্রকৃত শিক্ষার অধিকার পাচ্ছে।

তিনি বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টি বেসরকারি হলেও এখানে খরচ তুলনামূলক অনেক কম। শিক্ষার ক্ষেত্রে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি ব্যবসার থেকে প্রকৃত শিক্ষার দিকে নজর দেয়।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান চৌধুরী বলেন, এখানে সকল শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। আমরা সবার জন্য উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করতে চাই। প্রতি সেমিস্টারেই আমাদের অনেক শিক্ষার্থী থাকে যাদের ফ্রিতে পড়ানো হয়।

ফেমাসনিউজ২৪.কম/আরআই/আরবি