logo

শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | ৭ আশ্বিন, ১৪২৪

header-ad

বিয়ের রাতে পাত্রীর কাছে পাত্রের আবদার শুনলে চমকে যাবেন!

অন্যরকম খবর ডেস্ক | আপডেট: ১৮ জুলাই ২০১৭

On the wedding night, the bride broke the marriage, because the bride broke the marriage
ছেলে হয়ে জন্মেছি, সুতরাং সব বিষয়ে আমার কথায় শেষ কথা। একই রকমভাবে বিয়ের অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও পাত্রপক্ষের যাবতীয় দাবিদাওয়া মেনে চলতে হবে পাত্রীপক্ষকে। পুরুষ-শাসিত সমাজ ব্যবস্থায় এমনটাই চলে আসছে যুগ যুগ ধরে। কিন্তু বিয়ের রাতে পাত্রীর কাছে পাত্রের আবদার শুনলে চমকে যাবেন!


এই প্রথার উপযুক্ত প্রতিবাদ করলেন ভারতের উত্তর প্রদেশের এক মহিলা। উত্তর প্রদেশের সাহারণপুর জেলার এক ছেলের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয়েছিল প্রতিবাদী ওই মহিলার। পাত্রপক্ষের দাবি অনুযায়ী সবকিছুই করেছিল পাত্রীর পরিবার। বিয়ের রাতে নতুন আবদার করে বসলেন হবু জামাই।

বিবাহিত জীবনে স্ত্রীর সঙ্গে চাই দামি স্পোর্টস কার এবং তা দিতে হবে পাত্রীপক্ষকে। অন্যথায় সে বসবে না বিয়ের পিঁড়িতে। পাত্রের পরিবারের তরফ থেকেও সমর্থন জানানো হয় পাত্রের এই আবদারকে, যার উপযুক্ত জবাব দিয়েছে কনে এবং তার পরিবার।

পাত্রের এহেন অন্যায় আবদার এবং পাত্রপক্ষের তাতে সায় দেয়ার কারণে বিয়ের মণ্ডপ থেকে ওঠে যান পাত্রী। সাফ জানিয়ে দেন যে, তিনি আর এই লোভী পাত্রকে বিয়ে করছেন না। মেয়ের এ সিদ্ধান্তকে পূর্ণ সমর্থন জানায় পাত্রীপক্ষের লোকেরাও। তবে সহজে ছেড়ে দেয়া হয়নি পাত্রের পরিবারকে। বেআইনি পণ প্রথার বিরুদ্ধে আইনের দ্বারস্থ হয়েছে পাত্রীর পরিবার। পাত্রসহ তার পরিবারবর্গকে বিয়েবাড়িতে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়া হয়। পুলিশ এসে সবাইকে উদ্ধার করে।

পুলিশের তরফ থেকে স্থানীয় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রবাল প্রতাপ সিং বলেছেন, “গাড়ি না পেলে বিয়ে করবে না বলে জানিয়ে দেয় পাত্র। এই দাবি শুনেই বিয়ে করবে না মনস্থির করে ফেলে পাত্রী। এরপরে ক্রব্ধ মেয়ের বাড়ির লোকেরা পাত্রপক্ষের সবাইকে বিয়ের লজে আটকে রেখে আমাদের খবর দেয়।”

পুলিশে খবর দেয়ার আগে উভয়পক্ষ নিজেদের মধ্যে দর কষাকষি করেছিল বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। কিন্তু সেই আলোচনা ব্যর্থ হলে কনে বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন।
ফেমাসনিউজ২৪/এফএম/এমএম