logo

শুক্রবার, ১৭ আগস্ট ২০১৮ | ১ ভাদ্র, ১৪২৫

header-ad

মদেও ভেজাল!

অন্যরকম ডেস্ক | আপডেট: ২৩ মে ২০১৮

ভাগাড় কাণ্ডের পর এবার মদে ভেজাল দেয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন শহরের একটি নামি হোটেলের দুই ম্যানেজার৷

ওই দুজনকে জেরা করে কীভাবে ভেজাল বিদেশি মদ কলকাতায় আসত, এর পেছনে কতজনের চক্র রয়েছে, তা জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা৷

রাজ্য আবগারি দপ্তরের এক কর্তা জানান, কলকাতার এক নামি হোটেলের দুই ম্যানেজার সৈকত মাইতি ও ক্ষুদিরাম ভৌমিককে গ্রেপ্তার করা হয়৷

ওই হোটেলের একটি পানশালা থেকেই উদ্ধার হয় প্রচুরসংখ্যক বিদেশি মদের বোতল। বিভিন্ন দেশ থেকে এই শুল্কবিহীন মদ লোক মারফত নিয়ে আসত কলকাতার একটি চক্র। ওই হোটেলের কয়েকজন কর্তা তা সংগ্রহ করতেন। যে মদ ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করা যায় মাত্র, তা হোটেল কর্তৃপক্ষ চড়া দামে বিক্রি করত পেগ হিসাবে। বিশেষ করে কর্পোরেট পার্টিগুলোতে বেআইনিভাবে বিক্রি করা হতো এ মদ৷

গোয়েন্দাদের অভিযোগ, বিদেশি স্কচ বা অন্যান্য বিদেশি মদের সঙ্গে দেশি হুইস্কি মিশিয়ে পরিবেশন করা হতো। নামি হোটেল বলে খদ্দেররা ধরতেও পারতেন না এ ভেজাল।

এ ঘটনার তদন্ত শুরু করে প্রথমে আবগারি গোয়েন্দারা হোটেলের এক ম্যানেজারকে গ্রেপ্তার করেন। জেরা করেই বাকি দুজনের সন্ধান পান।

এদিকে, এর আগেও খাদ্যে ভেজাল রুখতে রেস্তরাঁ, পাব ও হোটেলগুলোতে বেশ কয়েকবার অভিযান চালায় কলকাতা পুরসভা৷ বিজ্ঞপ্তি জারি করে ভেজাল রুখতে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানানো হয়৷ পুরসভার বিজ্ঞপ্তি ও অভিযানের পরও কীভাবে লাগাতার ভেজাল কারবার চালিয়ে গেল ওই শহরের দুই নামি হোটেল সংস্থা? তা নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠছে।

ফেমাসনিউজ২৪.কম/আরআই/আরবি