logo

শনিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৮ | ৩ ভাদ্র, ১৪২৫

header-ad

আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত সম্পর্কে কি আগেই বুঝা যায়?

ফেমাসনিউজ ডেস্ক | আপডেট: ০৯ জুন ২০১৮

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওর ডেনিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এরিক ক্লেমেত্তি বলছেন, একটা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত কতটা ভয়ঙ্কর হবে সেটা আগে থেকে ধারণা করা কঠিন।

শুক্রবার আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিবিসি বাংলা। প্রতিবেদনে ড. এরিক ক্লেমেত্তি বলেন, যখন আপনি একটা আগ্নেয়গিরি পর্যবেক্ষণ করছেন, তখন বড় কিংবা ছোট সব অগ্ন্যুৎপাতের সংকেত একই রকম হবে।

তিনি বলেন, এখানে আপনাকে দুটি বিষয়ের ব্যালেন্স করার চেষ্টা করতে হবে। একটা হলো অগ্ন্যুৎপাতের সময় এবং আকার। আর এটা একই সময় করা বেশ কঠিন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গুয়েতেমালার ফুয়েগো আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে বহু মানুষ প্রাণ হারানোর পর প্রশ্ন উঠছে কী মাত্রায় অগ্ন্যুৎপাত হবে, সেটা ধারণা করা আদৌ সম্ভব কি না?

ক্লেমেত্তি বলেন, এটা সাধারণত একটা বড় মাত্রার অগ্ন্যুৎপাত। তাই আগের উদাহরণের ওপর ভিত্তি করে হলেও বিশেষজ্ঞদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে বলতে পারা।

বিপদ চিহ্নিত করা

বিজ্ঞানীরা কীভাবে বলতে পারেন কোনো আগ্নেয়গিরিটা বেশি বিপজ্জনক? আগ্নেয়গিরির প্রকারভেদ করা মোটেই সহজ কাজ নয়। কিছুদিন আগে পর্যন্ত মনে করা হতো যে হাওয়াইয়ের কিলাওয়ে আগ্নেয়গিরি সবচেয়ে জীবন্ত। কিন্তু সবচেয়ে বিপজ্জনক বলতে যা বোঝায়, সেটা আবার না।

আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ইতিহাস

একটা আগ্নেয়গিরির হাজার বছরের ইতিহাস থাকতে পারে। তবে ভবিষ্যতে কীভাবে এটা ফিরে আসবে, তার কোনো পূর্বাভাস পাওয়া যায় না। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

পর্যবেক্ষণ

যদিও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের পূর্বাভাস পাওয়া নির্ভুলভাবে পাওয়া কঠিন, কিন্তু কিছু আস্থা রাখার মতো সংকেত আছে যেটা অ্যালার্ম বাজায়।

যদি কোনো এলাকার মানুষ সঠিক সংকেতটি বুঝতে পারে তাহলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ একটা সুযোগ পায় খুব খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আগেই প্রস্তুতি নেওয়ার।

ফেমাসনিউজ২৪/আরআর/আরইউ