logo

মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮ | ১ কার্তিক, ১৪২৫

header-ad

পৃথিবীর শেষ প্রান্তের দ্বীপের অজানা কথা

ফিচার ডেস্ক | আপডেট: ১২ জুন ২০১৮

প্রশান্ত মহাসাগরের উল্লেখযোগ্য দ্বীপপুঞ্জ ‘কুক আইল্যান্ডস’-এরই একটি অংশ পামারস্টোন আইল্যান্ড। একে অভিহিত করা হয় পৃথিবীর শেষ প্রান্তের দ্বীপ হিসেবে।

১৭৭৪ সালের ১৬ জুন, এই দ্বীপ আবিষ্কার করেছিলেন ব্রিটিশ অভিযাত্রী ক্যাপ্টেন জেমস কুক। ইতিহাস বলছে, দ্বীপে কোনও মানুষ দেখতে না থাকায়, সেখানে তিনি আর নোঙর করেননি। কিন্তু দ্বীপের নামকরণ করেন তার এক সহকর্মী, হেনরি টেম্পলের নামে।

১৮৬৩ সালে উইলিয়ম মার্সস্টার্স নামে এক কাঠের কারিগর এই দ্বীপে পা রাখেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘বিবিসি’র প্রতিবেদন অনুয়ায়ী, উইলিয়মকে এই দ্বীপের রক্ষণাবেক্ষণের জন্যই রেখেছিলেন এক ব্রিটিশ ব্যবসায়ী, জন ব্র্যান্ডার।

উইলিয়ম মার্সস্টার্স, তার স্ত্রী ও দুই শ্যালিকাকে নিয়ে এই দ্বীপেই বসবাস শুরু করেন। এবং প্রতি ছ’ মাস অন্তর জন ব্র্যান্ডারের জাহাজ এসে দ্বীপ থেকে নারকেল নিয়ে যেত। কিন্তু, মালিকের মৃত্যুর পরে ব্রিটেনের রানি ভিক্টোরিয়ার নির্দেশে, দ্বীপের মালিকানা তুলে দেওয়া হয় মার্সস্টার্সের হাতে।

উইলিয়ম মার্সস্টার্স তার দুই শ্যালিকাকেও বিয়ে করেন। এবং তিন স্ত্রী ও ২৩ জন সন্তান-সন্ততিকে রেখে, ১৮৯৯ সালে তিনি মারা যান। তবে মৃত্যুর আগে, দ্বীপটি সমান তিন ভাগে ভাগ করে দিয়ে যান তিন স্ত্রীকে।

২০১৩ সালের রেকর্ড অনুয়ায়ী, পামারস্টোন আইল্যান্ডের জনসংখ্যা ৬০ থেকে ৭০ জন। এবং তারা প্রত্যেকেই উইলিয়ম মার্সস্টার্সের বংশধর। অনেকেই জীবনধারনের জন্য দ্বীপ ছেড়ে চলে গিয়েছেন অন্যত্র।

হাওয়াই, নিউজিল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ার মেনল্যান্ড থেকে পামারস্টোন আইল্যান্ড পৌঁছনোর একমাত্র উপায় জলপথ। তা সত্ত্বেও, আধুনিক নানা সুযোগ সুবিধাই পাওয়া যায় পামারস্টোন আইল্যান্ডে।

উল্লেখ্য, পরিবারের মধ্যে বিয়ে হয় না এই দ্বীপে। তা সত্ত্বেও একমাত্র ‘মার্সস্টার্স’ পদবিই জ্বলজ্বল করছে এই দ্বীপে।

ফেমাসনিউজ২৪.কম/জেডআর/এফআর