logo

মঙ্গলবার, ১৪ আগস্ট ২০১৮ | ৩০ শ্রাবণ, ১৪২৫

header-ad

বীরের বেশে শহীদ হলেন আবু সালাহ

ফেমাসনিউজ ডেস্ক | আপডেট: ১৬ মে ২০১৮

সোমবার জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরের বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠে ফিলিস্তিনিরা। আর এই প্রতিবাদী কনভয়ে অনবরত গুলিবর্ষণে নিহত হয় ৫৮ জন ফিলিস্তিনি। তবে নিহতদের মধ্যে একজন যেন মরে গিয়ে আগুন জ্বালিয়ে দিয়ে গেলেন। তার নাম ২৯ বছর বয়সী ফাদি আবু সালাহ। যার ছবি প্রতিবাদী ছবি এখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার প্রধান বিষয়।

ইসরায়েলি বাহিনী অতর্কিতভাবে মেরে চলেছে ফিলিস্তিনিদের। সোমবার জেরুজালেমে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস উদ্বোধনের বিরুদ্ধে গাজা সীমান্তে বিক্ষোভ করে ফিলিস্তিনিরা। সে সময় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে অন্তত ৫৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন দুই সহস্রাধিক। দীর্ঘ দুই মাস ধরে চলছে এ বিক্ষোভ। ফিলিস্তিনি যেভাবে মানুষদের হত্যা করা হয় যেন তারা মানুষ নয়, ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি।

৭০ বছর আগে এদিন ইসরায়েল ফিলিস্তিনের ভূমি দখল করে নেয় এবং সেখানে বাস করা সাধারণ ফিলিস্তিনের বিতাড়ন করে। এর প্রতিবাদে প্রতি বছর ১৫ মে নাকাবা দিবস পালন করে ফিলিস্তিন।

২০০৮ সালে গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় দুই পা হারিয়েছিলেন ২৯ বছর বয়সী ফাদি আবু সালাহ। তবে সেবার ইসরায়েলি বাহিনীর হাত থেকে প্রাণে বেঁচে গেলেও এবার আর বাঁচতে পারেননি।

সোমবার নিজের দেশের সীমানার মধ্যে থেকেই দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে শহিদ হয়েছেন আবু সালাহ। শুধু আবু সালাহই নয়, ইসরায়েলের গুলিতে বিভিন্ন সময় আরও অনেক ফিলিস্তিনি শিশু, নারী ও প্রতিবন্ধী শহিদ হয়েছেন।

সোমবার জড়ো হওয়া প্রায় ৫০ হাজার ফিলিস্তিনিদের বিক্ষোভে সকাল থেকেই হুইল চেয়ারে প্রতিবাদী হয়ে ওঠেন সালাহ। একটা পর্যায়ে শান্তিপূর্ণ এ বিক্ষোভে ইসরাইলি সেনারা নির্বিচারে গুলি চালালে তিনিও প্রতিরোধ করা শুরু করেন। দুপুরের পরেই ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে নিহত হন এই বীর।

১৯৪৮ সালের ১৫ মে ইহুদিবাদী ইসরাইল সাড় সাত লাখের বেশি ফিলিস্তিনিকে তাদের বাড়ি-ঘর থেকে উচ্ছেদ করে তা দখল করে নেয়। এদিনটি নাকবা দিবস হিসেবে গত ৭০ বছর ধরে পালন করে আসছে ফিলিস্তিনিরা।

ফেমাসনিউজ২৪/আরআর/আরইউ