logo

সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৮ আশ্বিন, ১৪২৫

header-ad

যুক্তরাষ্ট্রে ঘূর্ণিঝড় ফ্লোরেন্সের তাণ্ডব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ক্যারোলিনা রাজ্যে হারিকেন ফ্লোরেন্সের আঘাতে জলচ্ছ্বাস ও ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টির সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঘূর্নিঝড়টির তাণ্ডব চলছে। এ ঝড়ের প্রভাবে ক্যারোলাইনা এবং ভার্জিনিয়ায় কয়েক ফুট পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে আঘাত হানার আগে ঘূর্নিঝড়টি কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছে।

এখনো ঘূর্নিঝড়টির তাণ্ডব শেষ হয়নি। ইতোমধ্যেই মোরহেড সিটির অংশবিশেষ জলোচ্ছ্বাসের কবলে পড়ে প্লাবিত হয়েছে। ফলে ঠিক কোন কোন এলাকায় কতখানি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা জানা যায়নি। বন্যার পানি বেড়ে ১৩ ফুট পর্যন্ত পৌঁছতে পারে বলে সতর্ক করেছেন আবহাওয়াবিদরা।

মার্কিন কেন্দ্রীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার (ফেমা) প্রশাসক ব্রক লং জানিয়েছেন, ঝড়ের প্রভাবে বিভিন্ন এলাকায় বিপর্যয়কর বন্যা দেখা দিতে পারে। ফ্লোরেন্স দুর্বল হয়ে পড়লেও এটি এখনো খুবই বিপজ্জনক।

ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টারের মতে, আজ শুক্রবারের মধ্যে উত্তর ক্যারোলিনার দক্ষিণাঞ্চলে ফ্লোরেন্স আঘাত হানার আশঙ্কা রয়েছে এবং শনিবারের মধ্যে তা দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের স্থালাংশের দিকে আঘাত হানতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের আবহাওয়া কেন্দ্র জানায়, ফ্লোরেন্স আঘাত হানতে পারে এমন- এলাকায় প্রায় এক কোটি মানুষ বসবাস করে এবং ফ্লোরেন্সের আঘাতে উপকূলীয় বাড়িঘর এবং ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।

তারা জানায়, প্রায় দশ লাখের বেশি মানুষকে উত্তর ও দক্ষিণ ক্যারোলিনা ও ভার্জিনিয়া ত্যাগ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয়গ্রহণ করছে।

ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার আরও জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার ঘণ্টায় ১৬৫ কিলোমিটার বেগে বাতাসের প্রবাহ ছিল। আর সপ্তাহের শুরুতে এ প্রবাহ ছিল ঘণ্টায় ২২৫ কিলোমিটার। কিন্তু তা সত্ত্বেও উত্তর ক্যারোলিনার গভর্নর রয় কোপার সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, দুশ্চিতামুক্ত হয়ে আরাম করবেন না। সুরক্ষিত থাকুন। এটি একটি শক্তিশালী ঝড় যা মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

এদিকে হারিকেনের হুমকি আজ বাস্তব হতে চলেছে। হারিকেন ফ্লোরেন্সের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূল অঞ্চলের বিভিন্ন বিমানবন্দরের প্রায় এক হাজার ফ্লাইট ইতোমধ্যে বাতিলও করা হয়।

ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টারের পরিচালক কেন গ্রাহাম ফেসবুকে লিখেছেন, ফ্লোরেন্সের প্রবল বাতাসে সমুদ্রের পানি ৪ মিটার পর্যন্ত বেড়ে গিয়ে ৩ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকার ওপর আছড়ে পড়তে পারে।

ফেমাসনিউজ২৪.কম/আরআই/আরবি