logo

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২০ | ১৮ চৈত্র, ১৪২৬

header-ad
ইরানে ভিন্ন ধরনের অস্ত্র পাঠানোর হুমকি ট্রাম্পের

মসজিদে ‘যুদ্ধের ঝান্ডা’ : প্র্রস্তুত ইরান

ফেমাসনিউজ ডেস্ক | আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২০

> যুক্তরাষ্ট্রের ৭০ শহরে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ > মার্কিন সেনাদের বহিষ্কার করবে ইরাক? > কাঁদছে ইরান, রাস্তায় লাখো জনতা

মসজিদে ‘লাল ঝান্ডা’ ওড়ানোর অর্থ ইরান যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ৭০ শহরে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তুমুল উত্তেজনার মধ্যে মসজিদে যুদ্ধের প্রতীক ‘লাল পতাকা’ উড়িয়ে দিয়েছে ইরান। শিয়াদের পবিত্র নগরী ক্বোমের প্রখ্যাত জামকারান মসজিদের মিনারে এই লাল ঝান্ডা ওড়ানোর মুহূর্ত প্রচারিত হয় রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে। এই পতাকা বা ‘লাল ঝান্ডা’ ওড়ানোর অর্থ ইরান যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত।

মার্কিন বাহিনীর হামলায় মেজর জেনারেল কাসেম সোলেইমানি নিহত হওয়ার ঘটনায় তিনদিনের শোকের প্রথম দিন শনিবার (৪ জানুয়ারি) এ লাল পতাকা ওড়ানো হয়। সোলেইমানি হত্যাকাণ্ডের ‘চরম প্রতিশোধ’ নেয়া হবে বলে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের হুমকির পর এই ‘লাল পতাকা’র প্রতীকী অর্থ বিপুল বলে জানাচ্ছেন সমরবিদরা।

শিয়া সংস্কৃতিতে লাল পতাকার অর্থ- অন্যায়ভাবে রক্তক্ষরণ এবং যার রক্তক্ষরণ হয়েছে তার জন্য প্রতিশোধ নেয়ার আহ্বান। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ক্বোম নগরে এভাবে লাল পতাকা ওড়ানো হলো।

বিক্ষোভে টালমাটাল ইরাকে এক সপ্তাহ ধরে উত্তেজনা চলছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে। গত ২৭ ডিসেম্বর ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের (হাশদ আল-শাবি) শাখা কাতায়েব হিজবুল্লাহর রকেট হামলায় মার্কিন এক ঠিকাদার নিহত হন। তার দু’দিন পর যুক্তরাষ্ট্র আল-শাবির ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে ২৫ জনকে হত্যা করে। প্রতিবাদে আল-শাবির সদস্যরা মিছিল নিয়ে বাগদাদের গ্রিন জোনে (পশ্চিমা দেশগুলোর ঘোষিত কথিত আন্তর্জাতিক জোন) ঢুকে মার্কিন দূতবাসে হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। তারপর শুক্রবার ভোরে বাগদাদ বিমানবন্দরে হামলা চালিয়ে জেনারেল সোলেইমানি ও আল-শাবির উপ-প্রধানসহ আটজনকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র।

কাসেম সোলেইমানি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সবচেয়ে আস্থাভাজন ছিলেন। দেশের সীমানার বাইরে লেবানন, ফিলিস্তিনসহ গোটা মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের যে সামরিক পরিসর বেড়েছে, তার পেছনের কারিগর ছিলেন সোলেইমানি। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলসহ পশ্চিমারা ইরানকে দমিয়ে রাখতে চাইলেও ‘শত্রুর চোখে চোখ রেখে লড়াই’ করার নীতিতে ইরানকে ‘প্রতিরোধযুদ্ধ’ শিখিয়েছেন তিনিই। এজন্য সোলেইমানি ইরানের ‘জাতীয় বীর’ হয়ে উঠেছিলেন। অন্যদিকে মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলসহ তেহরানবিরোধী পক্ষের।

মার্কিন বাহিনী তাকে হত্যা করায় ‘চরম প্রতিশোধ’ নেয়ার হুমকি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি। এমনকি দেশের আকাশসীমায় যুদ্ধবিমানও মোতায়েন করেছে তেহরান। ইরানের এই হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটিগুলোতে আরও সাড়ে ৩ হাজার সৈন্য পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

কাঁদছে ইরান, রাস্তায় লাখো জনতা

ইরানের আহবাজ শহরে লাখ লাখ ইরানি সোলেইমানির ছবি নিয়ে স্লোগানে স্লোগানে তাদের শোক জানাচ্ছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার দুদিন পর রোববার সকালে ইরানের আহবাজ শহরে জেনারেল সোলেইমানির মরদেহ এসে পৌঁছায়। ওই হামলার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনার পারদ চড়েছে। শুক্রবার বাগদাদ বিমানবন্দরের ড্রোন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালে সোলেইমানি ছাড়াও ইরান সমর্থিত ইরাকের মিলিশিয়া নেতা আবু মাহদিও নিহত হন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে রোববার প্রচারিত এক ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, আহবাজ শহরে লাখ লাখ ইরানি সোলেইমানির ছবি নিয়ে স্লোগানে স্লোগানে তাদের শোক জানাচ্ছেন। ১৯৮০ সালে ইরান-ইরাক যুদ্ধে অবদান এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের আধিপত্য তৈরির কারিগর সোলেইমানি আপামর ইরানিদের কাছে একজন নায়ক।

ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ভিড়ে পূর্ণ জনতার মিছিল আহবাজের মোল্লাভি স্কয়ার অভিমুখে গিয়ে সেখানে সমবেত হচ্ছেন। শোকাহত ইরানিদের হাতে সাদা, সবুজ আর শহীদের রক্তের প্রতীক লাল পতাকা। নারী-পুরুষ উভয়ই তাদের বুকে আঘাতের মাধ্যমে চিৎকার করছেন এবং কাঁদছেন। প্রিয় নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তাদের এই আহাজারি।

কর্তৃপক্ষের বরাতে আলজাজিরা জানিয়েছে, রোববার দিনশেষে সোলেইমানির মরদেহ মাশাদ শহরে নেয়া হবে। পরদিন সোমবার রাজধানী তেহরান ও পবিত্র নগরী কোমে তার মরদেহ নেয়া হবে সাধারণ মানুষের শোক জানানোর জন্য। এরপর মঙ্গলবার নিজ শহর কেরমানে সমাহিত হবেন সোলেইমানি।

মাশাদ থেকে আলজাজিরার প্রতিনিধি দোরসা জাব্বারি বলেন, ‘শোকাহত ইরানিরা ইমাম রেজার মাজারে সমবেত হচ্ছেন। সেখানে সোলেইমানির কফিনবন্দি মরদেহ সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে। অভিজাত কুদস ফোর্সের কমান্ডার জেনারেল সোলেইমানিকে ইরানিরা প্রচন্ড ভালোবাসতেন এবং সর্বোচ্চ সম্মান করতেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘সোলেইমানির মৃত্যুতে শোকাহত অনেক ইরানি বলছেন, তারা এখনো বিশ্বাস করেন না যে সোলেইমানি আর নেই। গোটা দেশ তার মৃত্যুতে শোকাহত। শোকের সঙ্গে অনেকে তাদের ক্ষোভ ও হতাশাও প্রকাশ করেছেন। ইরানিরা চান, তাদের সরকার ও সামরিক বাহিনী এর প্রতিক্রিয়া দেখাক। এই হত্যার বদলা চায় তারা।’

ইরানে ভিন্ন ধরনের অস্ত্র পাঠানোর হুমকি ট্রাম্পের

ট্রাম্পের টুইট
ইরানে নতুন ধাঁচের অস্ত্র পাঠানোর হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চলমান ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইরান হামলা চালাতে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই ইরানের ৫২ স্থানে হামলার হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। একই সঙ্গে সেখানে নতুন নতুন অস্ত্র পাঠানো হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে।

এক বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেন, সামরিক অস্ত্রভাণ্ডারে যুক্তরাষ্ট্র দুই ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করেছে। আমরাই বিশ্বের বৃহত্তম এবং সর্বোত্তম। যদি ইরান মার্কিন ঘাঁটি বা কোনো আমেরিকানের ওপর হামলা চালায় তবে আমরা আমাদের ব্র্যান্ড নিউ সুন্দর অস্ত্রগুলো সেখানে পাঠাব। এ বিষয়ে কোনো সংশয় নেই।

তেহরান যুক্তরাষ্ট্রকে আঘাত করতে ৩৫ স্থাপনা টার্গেট করার কথা বললে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উল্টো হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ৫২ স্থানকে টার্গেট করেছে। তিনি বলেছেন, ইরান যদি আমেরিকানদের ওপর বা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সম্পদ লক্ষ্য করে হামলা চালায় তবে তেহরানের ৫২ স্থানে ভয়াবহ হামলা চালানো হবে। খবর আল জাজিরার।

শুক্রবার ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের এক হামলায় ইরানের কুর্দস বাহিনীর ক্ষমতাধর জেনারেল কাসেম সোলেইমানি এবং এক ইরাকি মিলিশিয়া প্রধান নিহত হন। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইরান হামলা চালাতে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই পাল্টা হুমকি দিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

রাজধানী বাগদাদে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর একটি ঘাঁটিতে দুটি রকেট হামলার ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে বাগদাদের সুরক্ষিত গ্রিন জোনে মার্কিন দূতাবাসের কাছে আঘাত করেছে দুটি মর্টারের গোলা।

ইরাকি নিরাপত্তা সূত্র বলছে, এসব হামলায় কেউ হতাহত হয়নি। অপরদিকে ইরানের নেতারা কাসেম সোলেইমানির হত্যার প্রতিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে উত্তেজনা কমানোর কোনো চেষ্টা না করে বরং হামলার হুমকি দিয়ে টুইট করেছেন ট্রাম্প।

এক টুইট বার্তায় ট্রাম্প ইরানকে হুমকি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ৫২ স্থানকে টার্গেট করেছে। এর মধ্যে কিছু ইরানের প্রথম সারির এবং খুবই গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এগুলো ইরানের সংস্কৃতি এবং ইরানিদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। এসব স্থানে খুব দ্রুত ভয়াবহ হামলা চালানো হবে।

ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আর কোনো হুমকি চায় না। তিনি আরও বলেন, ১৯৭৯ সালের নভেম্বরে তেহরানে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস থেকে ৫২ জন আমেরিকানকে জিম্মি করা হয়েছিল। তারা ৪৪৪ দিন বন্দি ছিলেন। ওই ৫২ জনের কথা স্মরণ করেই ইরানের ৫২ স্থানকে টার্গেট করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মার্কিন ওয়েবসাইটে সাইবার হামলা ইরানের

মার্কিন ওয়েবসাইটে সাইবার হামলা ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রের একটি ওয়েবসাইট হ্যাকের দাবি করেছে ইরানি হ্যাকারদের একটি গ্রুপ। যদিও মার্কিন ওই সাইটি খুব বেশি পরিচিত নয়। শনিবার ওই মার্কিন সাইটটি হ্যাক করে জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার ঘটনায় ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের বার্তা দেওয়া হয়েছে।

শনিবার ফেডারেল ডিপোজিটরি লাইব্রেরি প্রোগ্রাম নামের একটি ওয়েবসাইটটি হ্যাক করে সেখানে ইরানি হ্যাকার নামের একটি পেজ খোলা হয়। এছাড়া ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং ইরানের পতাকা প্রদর্শন করা হয়।

সোলেইমানির মৃত্যুর বিষয়টি উল্লেখ করে সেখানে বলা হয়েছে, তার চলে যাওয়া এবং আল্লাহর ক্ষমতায় তার কাজ ও এই পথ বন্ধ থাকবে না। সোলেইমানি এবং অন্যান্য শহীদদের রক্তে নিজেদের নোংরা হাত যারা রক্তাক্ত করেছেন সেই সব অপরাধীদের জন্য কঠিন প্রতিশোধ অপেক্ষা করছে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

মার্কিন সেনাদের বহিষ্কার করবে ইরাক?

একপক্ষীয় হামলা চালিয়ে ইরানি জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ও হাশেদ নেটওয়ার্কে কমান্ডার আবু মাহদি আল মোহান্দিস হত্যাকাণ্ড নিজেদের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলে মন্তব্য করেছে ইরাক।

এতে ইরাক সরকাররে ওপর চাপ প্রয়োগ করছে দেশটির সাধারণ মানুষ। ইরাকে নিয়োজিত মার্কিন সেনাদের দেশ থেকে বহিষ্কারের দাবি উঠেছে বলেও জানা গেছে। -খবর ডয়চে ভেলের

ইরাকের বিরোধী শিয়া রাজনৈতিক দলের নেতারা দেশ থেকে মার্কিন সেনাদের বহিস্কারের দাবি জানিয়েছে৷ দেশটির বদর অর্গানাইজেশনের নেতা হামিদ আল-আমিরি বলেন, আমরা নিরাপত্তা বাহিনীর সব সদস্যকে ইরাক থেকে বিদেশি সেনাদের বহিষ্কারের জন্য একযোগে কাজ করার আহবান জানাচ্ছি।

যুক্তরাষ্ট্রের ৭০ শহরে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ

যুক্তরাষ্ট্রের ৭০ শহরে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ
ইরানি জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার পর সারাদিন টুইট করে ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন নিজের জনপ্রিয়তা বাড়াতে ব্যস্ত, তখন মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির বিরুদ্ধে দেশটির কয়েক ডজন শহরে বিক্ষোভ হয়েছে। সোলাইমানিকে হত্যায় ট্রাম্প প্রশাসনের ভূমিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যে আরও তিন হাজার সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্তের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। খবর ইউএসএ ট্যুডের।

শিকাগো অঙ্গরাজ্যে ট্রাম্প টাওয়ারের কাছে ‘নো জাস্টিস, নো পিস’ স্লোগান দিতে দেখা গেছে বিক্ষোভকারীদের। তারা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের হাতে বেশ কিছু প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ইরাকে বোমা হামলা বন্ধ করো এবং ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করো।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক যুদ্ধবিরোধী জোট অ্যাক্ট নাউ টু স্টপ ওয়ার অ্যান্ড ইন্ড রেসিজম এবং অন্যান্য সংস্থার উদ্যোগে ৭০টির বেশি বিক্ষোভ-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংস্থার মুখপাত্র ওয়াল্টার স্মোলারেক বলেন, তারা ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার চান এবং একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তার সমাপ্তি চান।

তিনি জানিয়েছেন, ফিলাডেলফিয়াতে প্রায় ৫শ বিক্ষোভকারী বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। বিক্ষোভকারীরা হোয়াইট হাউসের বাইরে এবং নিউইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে অবস্থান নিয়েছে। টাম্পা থেকে ফিলাডেলফিয়া এবং সান ফ্রান্সিসকো থেকে নিউইয়র্কে বিক্ষোভকারীরা যুদ্ধবিরোধী স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করেছেন।