logo

শুক্রবার, ১৭ আগস্ট ২০১৮ | ১ ভাদ্র, ১৪২৫

header-ad

লক্ষ্মীপুরের মানচিত্র থেকে মুছে যাবে কমলনগর!

অ আ আবীর আকাশ, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি | আপডেট: ১৩ জুন ২০১৮

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে আবারো মেঘনার ভাঙন তীব্র হচ্ছে। নদী ভাঙনের তীব্রতা এত বেশি যে, এলাকাবাসি তাদের ঘর বাড়ি, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র অন্যত্র সরিয়ে নিতে পারছেন না।

এ অবস্হায় অনেকে আশংকা প্রকাশ করছেন লক্ষ্মীপুর তথা বাংলাদেশের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে কমলনগর!

সরেজমিনে দেখা গেছে, ইতোমধ্যে বিলীন হয়ে গেছে উপজেলার প্রায় দেড়শত বছরের ঐতিহ্যবাহী লুধুয়া বাজার, সাহেবের হাট, তালতলি বাজার, কাদির পন্ডিতের হাট, চর ফলকন উচ্চ বিদ্যালয়, কাদির পন্ডিতের হাট উচ্চ বিদ্যালয়, মাতাব্বর হাট মাদ্রাসাসহ আরো ছোট-খাটো স্কুল, বাজার, মসজিদ।

নদীর পাড় থেকে উপজেলা ভবন মাত্র দেড় কিমি. দূরত্ব। সাহেবের হাট ইউনিয়ের ৮টি ওয়ার্ড, কালকিনি ইউনিয়নের ৫টি ওয়ার্ড, পাটোয়ারীর হাট ইউনিয়নের ৩টি ওয়ার্ড, মাটিন ইউনিয়নের ২টি ওয়ার্ড গত বছর নদীর গর্ভে হারিয়ে যায়। উপজেলা ৯টি ইউনিয়নের মধ্যে প্রায় ৫টি ইউনিয়ন মেঘনার ভাঙনে নিমজ্জিত।

মেঘনার দীর্ঘ দিনের ভাঙনের শত শত পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে উদ্বাস্তু। তাদের আশ্রয়স্থল রামগতি লক্ষ্মীপুর সড়কের দু পাশ।

জানা যায়, ২০১৪ সালের ৫ আগষ্ট মেঘনার ভাঙন রোধে রামগতি-কমলনগরের জন্য একশত ৯৮ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়। বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে রামগতি অংশে সেনাবাহিনী ৪ কিমি. বাধ নির্মাণ সম্পূর্ণ হলেও কমলনগর উপজেলা অংশে মাত্র এক কিমি. বাঁধ নির্মাণ হয় বির্তকিত ভাবে।

ওই এক কিমি. বাঁধ নির্মানের কাজ চললেও বাঁধের দক্ষিন-উত্তরে প্রায় ১৭ কিমি. জনপদ নদীর গর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, আগামী বর্ষার মধ্যে কমলনগর উপজেলা ভবন, হাজির হাট বাজার, চর লরেন্স বাজার মেঘনার ভাঙনের কবলে পড়তে পারে।

ফেমাসনিউজ২৪.কম/জেডআর/এফআর