logo

বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ | ২৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫

header-ad

তিতালির তাণ্ডবে প্লাবিত লক্ষ্মীপুরের মেঘনাতীর

অ আ আবীর আকাশ, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি | আপডেট: ১১ অক্টোবর ২০১৮

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় তিতলির প্রভাবে বেশ উত্তাল রয়েছে লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদী। গত দুদিনের তিতলির প্রভাবে মেঘনার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়েছে মেঘনাতীরের গ্রামগুলো। এতে তীরে বসাবসরত মানুষজন পড়েছেন বিপাকে। এ সময় কমলনগরের মেঘনাতীর ঘুরে দেখা গেছে তীরের রাস্তাঘাট ও বাড়ির ওপর দিয়ে জোয়ারের পানি গড়াচ্ছে। চলাচলকারী মানুষজনও বেশ ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন জোয়ারের ঢেউ ঘেঁষে। অস্বাভাবিক পানির উচ্চতার কারণে জাহাজের চলাচলও বন্ধ থাকতে দেখা গেছে।

জেলার জলোচ্ছ্বাসের কবলে পড়া গ্রামগুলো হলো কমলনগরের চর মার্টিন, চর কালকিনি, চর লরেন্স, সাহেবেরহাট, চর ফলকনের লুধুয়া, রামগতির চর আবদুল্লাহ, চর আলেকজান্ডার, বাংলা বাজার, বিবিরহাট, রামগতিরহাট, চর গাজী, জেলা সদরের চর রমনী মোহন, মজুচৌধুরহাট এবং রায়পুরের বেশ কিছু গ্রাম।

খবর সংগ্রহের সময় কথা হয় নদীপাড়ের মোখলেছুর রহমান(৬০)এর সাথে। তিনি বলছিলেন, এখন জোয়ার আসলেই ঘরে পানি উঠে। খুব ভয়ও লাগে। সাপ-বিচ্ছুর ভয়ও আছে। নদীরপাড়তো তাই। ঘূর্ণিঝড় তিতলির কারণে জেলার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকতে দেখা গেছে। এ প্রতিবেদন লেখার সময়ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে দেখা যায়।

এ দিকে রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রফিকুল হক জানান, ঘূর্ণিঝড়কে কেন্দ্র করে আজ আমরা জেলাতে এবং কী উপজেলাতে জরুরি সভা করেছ।আমাদের সকল জনপ্রতিনিধি এবং পরিস্থিতি মোকাবেলায় সবাইকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

আর রেডক্রিসেন্টের কর্মীদের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। আমরা মেডিকেল টিমও প্রস্তুত রেখেছি। সমস্যা হচ্ছে দ্বীপ চর আবদুল্লার মানুষদের নিয়ে। তাদেরকে ওখান থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে আনা যাচ্ছে না। শখের হাস-মুরগি, গরু-ছাগল রেখে কেউ আসতে চাইছেন না। তারপরেও সেখানে মানুষ আনার জন্য ট্রলার ব্যবস্থা রেখেছি।

এখন অভিযানের কারণে অনেক নৌকা পাবো। তবে ওখানে আশ্রয় কেন্দ্র নেই। এজন্য জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে তথ্য পাঠানোর চিন্তা-ভাবনা চলছে, এমনটিই বলছেন ইউএনও মোহাম্মদ রফিকুল হক।

ফেমাসনিউজ২৪/কেআর/এস