logo

বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮ | ১ অগ্রাহায়ণ, ১৪২৫

header-ad

মধ্যরাত থেকে কার্যকর হচ্ছে সর্বনিম্ন কলরেট

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ১৪ আগস্ট ২০১৮

সোমবার মধ্যরাত থেকে মোবাইল ফোনের সর্বনিম্ন অভিন্ন কলরেট কার্যকর হচ্ছে। দেশের সব টেলিকম সার্ভিসে অননেট (নিজেদের মধ্যে) ও অফনেট (অন্য অপারেটরে) ভয়েস কলের রেট ৪৫ পয়সা প্রতি মিনিট করা হয়েছে। এছাড়াও সর্বোচ্চ কলরেট নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি মিনিট ২ টাকা।

চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে এই রেট চালু করতে সবগুলো মোবাইল টেলিফোন অপারেটরকে নির্দেশনা পাঠিয়েছে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেশন কমিশন বিটিআরসি।

সোমবার পাঠানো ওই চিঠিতে নতুন কলরেট ১৪ আগস্ট থেকে কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। মোবাইল অপারেটররাও সেই অনুযায়ী নতুন কলরেট কার্যকর করবে বলে জানা গেছে।

এই নির্দেশনার ফলে দেশের যে কোনো টেলিফোন থেকে কল করলে একটাই রেট থাকবে মিনিটে ৪৫ পয়সা। কোনো অপারেটরের নিজস্ব গ্রাহকদের মধ্যে কলরেটে আগে যে সুবিধা ছিলো তা আর থাকছে না।

এছাড়াও বিভিন্ন অফার দিয়ে অপারেটরগুলো তাদের গ্রাহক বেজ বাড়িয়ে নিলেও তার সুবিধা এখন আর গ্রাহক পর্যায়ে ভোগ করা সম্ভব হবে না।

চলতি মাসের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের উপস্থিতিতে এক বৈঠকে অভিন্ন কলরেট মিনিট প্রতি সর্বনিম্ন ৫০ পয়সা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু পরে বৈঠকের কার্যবিবরণীতে দেখা যায় এই রেট ৪৫ পয়সা উল্লেখ করা আছে।

তাছাড়া সর্বোচ্চ রেট প্রতি মিনিটের জন্যে এক টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণের আলোচনা হলেও সেটি আগের মতোই দুই টাকা রয়ে গেছে।

সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশের প্রায় ১৪ কোটি গ্রাহকের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়বে বলেই মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

তবে সর্বনিম্ন খরচ একটু বেশি হয়ে গেছে আর সে কারণে মোবাইল ফোন ব্যবহারে গ্রাহকের সামগ্রিক খরচ আগের চেয়ে বাড়তে পারে, যা অপারেটরদের আয় বাড়াতে সাহায্য করবে বলে মনে করছেন বিটিআরসি বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

তারা বলছেন, আগে ২৫ পয়সা সর্বনিম্ন রেট থাকলেও অননেটের জন্যে গড় কল খরচ ছিল ৪৯ পয়সা। আর দেশের মোট ভয়েস কলের সিংহভাগই অননেটের কল ছিল। আবার অফনেটে ৬০ পয়সা সর্বনিম্ন হলেও অপারেটররা গড়ে চার্জ করতো ৯১ পয়সা। দেশে মোবাইল নম্বর পোর্টাবিলিটি সেবা চালু হলে অননেট ও অফনেটের আলাদা কলরেট বাজারে অসম প্রতিযোগিতা তৈরি করতে পারে সেই আশংকা দূর করতেই অভিন্ন কলরেট করা হচ্ছে বলে জানান তারা।

বাংলালিংক-এর চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, বাংলালিংক সরকারের এই উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানায়। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, এটি গ্রাহকদের নেটওয়ার্ক বেছে নেয়া ও একই কলরেটে অন-নেট ও অফ-নেট কল করার স্বাধীনতা দেয়ার মাধ্যমে তাদের জীবনযাত্রা আরো সহজ করতে ভূমিকা রাখবে। যা আগে সম্ভব ছিলো না। আমরা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আজ দুপুরে চূড়ান্ত আদেশ পেয়েছি। সব ধরনের নির্দেশ মেনে এটি বাস্তবায়নের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

ফেমাসনিউজ২৪.কম/কেআর/এস