logo

বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮ | ৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫

header-ad

ঢাকা মহিলা পলিকেটনিক ইনস্টিটিউটে স্কিলস কম্পিটিশন অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ০৩ নভেম্বর ২০১৮

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় বাস্তবায়নাধীন স্কিলস এ্যান্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট (STEP) ২০১৪ সাল থেকে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে স্কিলস কম্পিটিশন আয়োজন করে আসছে। এবারো শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী কাজে আগ্রহী ও তাদের দক্ষতা যাচাই করতে প্রতিবারের ন্যায় তৃতীয় ধাপে স্কিলস কম্পিটিশন ২০১৮ আয়োজন করা হয়েছে।

রাজধানীর শেরে বাংলা নগরস্থ ঢাকা মহিলা পলিকেটনিক ইনস্টিটিউটের আয়োজনে প্রতিষ্ঠানের মিলনায়তনে দিনব্যাপী এই স্কিলস কম্পিটিশন অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজনে ঢাকা মহিলা পলিকেটনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা তাদের তৈরি বিভিন্ন ধরনের উদ্ভাবনী প্রজেক্ট প্রদর্শন করেন ও বিকেলে ফলাফল ঘোষণা করেন ইনস্টিটিউট অধ্যক্ষ সাহানা বেগম। প্রতিযোগিতায় ৭টি দল অংশগ্রহণ করে।

অংশগ্রহণকারী প্রজেক্টগুলো হলো- ‘ডিজিটাল রোলার মিক্সার’, ‘ইলেকট্রিসিটি ভেহিক্যালস অন দ্য রোড’, ‘লোড কন্ট্রোল অ্যান্ড থিফ ডিক্টেটর অব লো কস্ট’, ‘জেসচার হুইল চেয়ার’, ‘অটোমেটিক রুম লাইট কন্ট্রোল উইথ ভিজিটর কাউন্টার’, ও ‘ পরিসরের সমাধান করে প্রাকৃতিক বসবাস’।

সকালে আয়োজনের পরিদর্শন করেন ঢাকা মহিলা পলিকেটনিক ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল সাহেরা বেগম, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ডিসিসিআই বিজনেস ইনস্টিটিউট কলেজের প্রিন্সিপাল খাদেজা বেগম, ডিসি অফিসের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট কামিশনার মো. মেহেদি হাসান, ঢাকার, এডিএন এডুকেশন সার্ভিস লিমিটেডের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার মো. আশিকুর রহমান এবং ডাটা ট্রিক্স সফট এর প্রধান নির্বাহী অফিসার মো. ফারহাদ হোসেন প্রমুখ।

আয়োজকরা জানান, ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে অনেক উদ্ভাবনী প্রতিভা রয়েছে। এই প্রতিভাকে আরো জাগ্রত এবং তাদের মধ্যে যে উদ্ভাবনের চেতনা রয়েছে সেটা আরো শাণিত করতে এই আয়োজন করা হয়েছে। এবার আয়োজন করা হয়েছে শুধু ঢাকা মহিলা পলিকেটনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে। আগামী ২৪ নভেম্বর আঞ্চলিক পর্যায়ে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। এত অংশগ্রহণ করবে রাজধানীর বেশ কয়েকটা পলিকেটনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্রছাত্রীরা।

উল্লেখ্য,প্রতিযোগিতাটির অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে কারিগরি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশের পথ প্রশস্ত করা, শিল্প-সংযোগ সুদৃঢ় করা এবং কলকারখানাসমূহকে উদ্ভাবনী প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করার মধ্য দিয়ে দেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রযাত্রায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখা। কারিগরি শিক্ষাঙ্গণের সর্ববৃহৎ ও অনন্য এ প্রতিযোগিতাটি ৩টি পর্বে অনুতি হয়- প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়, আঞ্চলিক পর্যায় এবং জাতীয় পর্যায়। এছাড়া শুরুতেই ঢাকাতে একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

সৃজনশীল মেধা অন্বেষণের অনন্য এই প্রতিযোগিতা আজ কারিগরি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন কারিগরি শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশের সুযোগ পাছে, অপরদিকে দেশের আপামর জনসাধারণ কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা ও সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে জানতে পারছেন এবং উদ্বুদ্ধ হছেন। এভাবেই একদিন আমাদের কারিগরি শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা, দক্ষতা ও সৃজনশীলতা দিয়ে বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে, আর তাদের দক্ষ হাতেই গড়ে উঠবে দক্ষ বাংলাদেশ।

ফেমাসনিউজ২৪/এস