logo

মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮ | ১ কার্তিক, ১৪২৫

header-ad

কোষ্ঠকাঠিন্য ভয়ঙ্কর, এগুলো এড়িয়ে চলুন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক | আপডেট: ০৫ মে ২০১৮

কোষ্ঠকাঠিন্য, একটি ভয়ঙ্কর রোগ। ফলে প্রতিদিন শরীর থেকে মল স্বাভাবিকভাবে নির্গত হতে পারে না। খাওয়া-দাওয়ার পরিমাণ বা ইচ্ছার ক্ষেত্রেও এর প্রভাব পড়ে।

এ সমস্যা ছোট-বড় সবার ক্ষেত্রে দেখা গেলেও পঞ্চাশের বেশি বয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে খুব বেশি দেখা যায়। অনেক সময় গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রেও এ সমস্যা দেখা যায়।

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অপরিকল্পিত ডায়েট, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে হয়ে থাকে। তবে কিছু ক্ষেত্রে এ সমস্যা বংশানুক্রমিকও। সময়মতো কোষ্ঠকাঠিন্য দূর না করলে তা কোলন ক্যানসারের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তবে কিছু খাবার আছে, যেগুলো পরিহার করলে কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ন্ত্রণে থাকে অনেকটাই।

চলুন জেনে নেয়া যাক, ওই খাবারগুলো সম্পর্কে-

তেলেভাজা খাবার

স্ন্যাকস-জাতীয় খাবার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিকেন ফ্রাই, পটেটো চিপস বা ওই জাতীয় তেলে ভাজা খাবার অন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর। এগুলো অন্ত্রের স্বাভাবিক কাজে বাধা দেয়। বাড়িয়ে দেয় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা।

কাঁচকলা

কাঁচকলা শরীর-স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হলেও যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য রয়েছে, তারা কাঁচকলা খেলে ফলাফল একেবারে উল্টো। তবে পাকা কলায় যথেষ্ট পরিমাণ ফাইবার আছে। তাই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় পাকা কলা খাওয়া যেতে পারে।

মাংস

রেড মিট (খাসির মাংস বা যে সব মাংসে চর্বির পরিমাণ বেশি থাকে)। এ জাতীয় খাবার অন্ত্রে বহুক্ষণ থাকে, হজম হতে সময় লাগে। এই জাতীয় মাংস কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

দুধ

দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার (যেমন, পনির, আইসক্রিম ইত্যাদি) কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়িয়ে দেয়। আসলে এ ধরনের খাবারে ফাইবারের পরিমাণ খুব কম। তবে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় দুধ থাকাটা খুবই জরুরি। হজমে সহায়ক হিসেবে টক দই খাওয়া যেতে পারে।

বেকারি পণ্য

বেকারি পণ্য যেমন, বিস্কুট, ক্র্যাকার্স বা পেস্ট্রি জাতীয় খাবারে ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকে। শুধু তাই নয়, বেকারির খাবারে জলীয় অংশ বা ফাইবারের পরিমাণ অত্যন্ত কম থাকে। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে, তাদের জন্য এগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো।

 হিমায়িত খাবার

ঠাণ্ডায় সংরক্ষিত বা প্রক্রিয়াজাত খাবারে জল শুকিয়ে ফেলা হয় এবং এ খাবারগুলোতে লবণের পরিমাণ বেশি থাকে। ফলে এ ধরনের খাবারে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে।

উপরে উল্লেখিত খাবার-দাবারগুলো এড়িয়ে চললে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। আর অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

ফেমাসনিউজ২৪.কম/আরআই/আরবি