logo

বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ | ২৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫

header-ad

আর কখনো ফাটবে না ঠোঁট!

লাইফস্টাইল ডেস্ক | আপডেট: ০৫ ডিসেম্বর ২০১৮

শীতের শুরু থেকেই ঠোঁট ফাটতে শুরু করে। এ অবস্থায় হাসতে কষ্ট হয়। অস্বস্তি লাগে। এমনকি ফাটা ঠোঁট নিয়ে প্রিয় মানুষটিকে আদর করাও মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়। ঠোঁটের যত্ন নেয়া শুরু করে দিন। কীভাবে নেবেন এই যত্ন, তা জেনে নিন-

ফাটা ঠোঁট

ঠোঁট খুবই স্পর্শকাতর। তাই এর যত্ন বিশেষভাবে নেয়া উচিত। সারা বছরই ঠোঁটের প্রতি যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। তবে শীতকালে একটু বেশি খেয়াল রাখা উচিত। শীতের সময় আমাদের ত্বকের মতো আমাদের ঠোঁট দুটিও নমনীয়তা হারিয়ে রুক্ষ হয়ে যায়। ফলে তা ফেটে যায়।

দিনে একবার স্ক্রাব করুন

আমাদের অনেকেরই নখ দিয়ে বা দাঁত দিয়ে ঠোঁটের শুকনো চামড়া তোলার অভ্যেস আছে। এ ব্যাপারটি একেবারে বাদ দিন। এতে ঠোঁটের আরও বেশি ক্ষতি হয়। এক্ষেত্রে দিনে অন্তত একবার করে আপনার ঠোঁট দুটিকে স্ক্রাব করুন।

উপকরণ : ১-২ চামচ চিনি ও ১-২ চামচ মধু।

পদ্ধতি : দুটি উপকরণ সমানভাবে মিশিয়ে হালকা করে ঠোঁট দুটিকে স্ক্রাব করুন।এতে আপনার ঠোঁটের শুকনো চামড়া, ডেড স্কিন পরিষ্কার হয়ে যাবে। এরপর ঠোঁট ধুয়ে লিপবাম লাগিয়ে নিন। এতে কখনই আপনার ঠোঁট ড্রাই হবে না এবং ফেটেও যাবে না।

ঠোঁট চাটা বন্ধ করুন

অস্বস্তি থেকে বাঁচতেই ঠোঁট দুটি বারবার চাটতে থাকেন কেউ কেউ। যতবার এমন করেন ততবার কিন্তু বেশি করে তা শুকিয়ে যায়। তাই যতই আপনার অস্বস্তি হোক না কেন এ স্বভাবটি ত্যাগ করুন। এক্ষেত্রে আপনি ব্যাগে লিপবাম বা পেট্রোলিয়াম জেলি রাখতেই পারেন।

শশা : শশা আমাদের ত্বকের জন্য কতটা উপকারী তা আর নতুন করে বলার দরকার নেই। শীতের হাত থেকে নিজের ঠোঁটকে রক্ষা করার জন্যও কিন্তু আপনি নির্দ্বিধায় এ উপাদান ব্যবহার করতেই পারেন।

পদ্ধতি : শশার খোসা ছাড়িয়ে কয়েক টুকরো নিয়ে মিক্সিতে বেটে জুস বের করে নিন। এবার তা ২-৩ বার তুলোয় ভিজিয়ে ঠোঁটে লাগান। ৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে কিন্তু আপনার ঠোঁটের পাতলা চামড়া সুরক্ষিত থাকবে।

নারকেল তেল

নারকেল তেল সব থেকে সহজ উপায়, যার দ্বারা আমরা সহজেই আমাদের ঠোঁটকে রুক্ষ হয়ে ফাটার হাত থেকে রক্ষা করতে পারি। যদি আপনার ঠোঁট ফেটে গিয়েও থাকে তাহলেও কিন্তু নারকেল তেল তা সারিয়ে তুলতে বিশেষ সাহায্য করবে।

উপকরণ

১-২ চামচ নারকেল তেল ও ১-২ চামচ মধু।

পদ্ধতি : দুটি উপকরণ ভালো করে মিশিয় নিন। এই মিশ্রণ দিনে ২-৩ বার ঠোঁটে লগিয়ে রাখুন ১০ মিনিট।পরে তা ধুয়ে ফেলুন। এতে ঠোঁটের নমনীয়তা বজায় থাকবে এবং রুক্ষতা দূর হবে।

ঘি ব্যবহার

শীতকালে আপনার ঠোঁটের যত্ন নিতে ঘি ব্যবহার করুন। এই উপাদান কিন্তু অনেকক্ষণ পর্যন্ত ঠোঁটের নমনীয়তা রক্ষা করে এবং সহজে রুক্ষ হতে দেয় না। এটি আপনার ঠোঁটের ফাটা বা কোনো রকম এলার্জি হলে তা সহজেই দূর করে। দিনে দুবার করে সামান্য ঘি আপনার ঠোঁটে লাগান। দেখবেন আপনার ঠোঁট এবারের শীতে কিন্তু কোনোভাবেই রুক্ষ হবে না।

শীতের রাতে প্রায় সাত-আট ঘণ্টা শুকনো ঠোঁট থাকলে তা ফাটবেই। তাই বাম ব্যবহারের পরেও যদি ঠোঁট ফাটে তবে একটি ঘরোয়া পদ্ধতি মানলেই সারা শীতকাল আপনার ঠোঁট থাকবে আর্দ্র।রাতে ঘুমানোর আগে ঘি তে মেশানো একটু দুধের সর ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন। দীর্ঘ সময় ধরে ত্বককে নরম রাখে ঘি। আর দুধের সর ঠোঁটের ভেতরের ময়লা দূর করে ও মরা কোষ দূর করে।

তাই এই মিশ্রণ সারা রাত ঠোঁটে দিয়ে রাখলে ঠোঁট নরম তো থাকেই, সঙ্গে ঠোঁটের কালো ভাবও দূর হয়। এ ছাড়াও ধূমপান ঠোঁট কালো করে। তাই ঠোঁট সুন্দর রাখতে ধূমপান ছাড়তে হবে।

ফেমাসনিউজ২৪.কম/আরআই/আরবি